এক বন্ধুর আহ্বানে দর্শকাসনে এসে বসেছিলাম। চুপচাপ বসে খেলা দেখছিলাম। এবারে একটু সাহস অর্জন করে নেমে পড়তে ইচ্ছে হল। মধ্যবিত্ত মানুষ আমি, ঘরটি আর আপিসটির বাইরে বিশেষ কিছুই চিনিও না, জানিও না। কাজেই বহু কষ্টে অর্জন করা সামান্য সাহস নষ্ট করতে মন গেল না।

অনভ্যস্ত আমায় হয়ত একটু আওয়াজ খেতে হবে, তবে সেটা নিয়ে অতটা চিন্তিত নই। সেই যখন স্কুলের ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হয়েছিলাম দেখতাম মাঠে ফাইভের দাদারা ড্রিল করাচ্ছে। ভেবেছিলাম ওইটুকু পেরোতে পারলেই বড় হয়ে উঠব। ক্লাস ফাইভে উঠে বুঝলাম যথেষ্ট বড় হতে পারিনি, আর হতেও পারব না যতদিন না টেনে উঠছি। এভাবেই ক্রমাগত পিছিয়ে যেতে লাগল বড় হওয়াটা। পিছোতে পিছোতে যখন সেটাকেই ভবিতব্য বলে ধরে নিয়েছিলাম তখন হঠাৎ একদিন বড় হয়ে বুঝতে পারলাম বড় হওয়ার জন্যে প্রস্তুতিটাই আমার নেওয়া হয়নি।

যাই হোক, যেটা বলছিলাম, এই অপ্রস্তুত অবস্থায় বড় হওয়াতে আমাকে প্রতিনিয়ত যথেষ্ট আওয়াজের সম্মুক্ষীণ হতে হয়, সেটা না হয় আরেকটু বাড়বে। আর এই নিয়ে কারো কাছে কোনও অনুযোগও খাটবে না কারণ আমি সেধেই তো এটা ডেকে আনলাম। তাই না?

খুব একটা বেশি কিছু লেখালেখি যে আমার দ্বারা হবে না, সেটা জানাই আছে, বিশেষ করে এখানে বেশ কিছু লেখালেখি দেখে আমি রীতিমত ভীত হয়ে একসময় ভেবেছিলাম, থাক ভাই আবার এখানে কেন? ভোজের বাড়িতে উদরাময়ের রুগির পথ্য পরিবেশন করাটা কি কোনও কাজের কথা হবে? তবু লিখলাম। ভাল না লাগলে বোলো। চেষ্টা করব শুধরে নিতে যদিও জানি না কতটা সফল হব অবশ্য যদি আমাকেও খেলায় নাও

আমাকে খেলতে নেবে ??
  • 4.00 / 5 5
1 vote, 4.00 avg. rating (81% score)

Comments

comments