সে আসলে যা , তার জন্য তাকে ভাল্লাগে বললে
ভুল হবে ষোল আনা ,
সে নিজেকে যেভাবে হাটে বেচে ,
ওই ভোগ্যপণ্য অবতারেই ঈশ্বর-প্রেমে কানা পাবলিক ,
বেসামাল “ইমেজ-ম্যানিয়া” বড় অসুখের মতো মহামারী, তালকানা ।।
শোনেনি কেউ ওর প্রথম পাওয়া পিতৃদত্ত নাম ,
আমরা শুনিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে ওর বাবার জেলে যাবার খবর ,
কিম্বা
ছোট বেলায় ওর মায়ের ওকে পিঠে-পায়েস রেঁধে খাওয়ানোর ফোক-টেল ।
দেখেনি বড় একটা লোকে, কালো চশমার পেছনে ওর চোখ দুটো ভালো
অথবা ,
ধূর্ত , কামুক , পিপাসু বা চাপা কান্নায় ভেজা কিনা ।।
ওর ছদ্মনাম-ই বিক্রি হয় বেশি ,
দিনে-রাতে ও’নাম দেখেই থমকে দাঁড়ায়,
দু-দশ কথা ভালমন্দ বলে ‘বোকা’ লোকে ।।
স্টেশন-সেলুন -শৌচাগারের দেয়াল ওরই ছবিতে ঢাকা ,
ভাবি একেক সময় , সিমেন্ট নয় তো সে ?
ওর ছবিতে ফুল-বাতাসা চড়ে দেখে ভাবে বুঝি ক্যালেন্ডারের গনেশ ,
খরা হলে এ নির্ঘাত বৃষ্টি ডাকতে পারে !
বুক ভরা আফসোসে বলে ফেলে বিশ্বকর্মা , এক নিঃশ্বাসে -
হাতি আছে আমার, শুধু গান নেই মুখে ।।
বিস্তর চোখটাটানি , কিছু চোখ-রাঙ্গানি ,
প্রচুর আদর-চুমু ,হাতের শিরা-কাটা চিঠি -
এত্ত ঝক্কি সয়ে তৈরি সে , তেত্রিশ -তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে
সিন শেষে মদ হাতে চেক নেবে বলে ।।
খসড়াতে লেখা , আসে বাঘ , তার আগে আগে আসে ফেউ ;
আলো, আলো , আরো আলো চেয়ে ‘লাইটস ‘ বলে কেউ ।।
কুষ্ঠিতে লেখা আছে আরও কিছু কারসাজি -রগড় – ভোজবাজি,
খেয়ে-পিয়ে বেঁচে থাক ‘হিরো’ ,আমি অডিয়েন্সে আছি ।।

আমি অডিয়েন্সে আছি
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments