দিনশেষের সূর্য সবার জন্যেই ডোবে ,
সমাপ্তির কালো স্লাইড দেখে যখন দিনান্তের বালিশ টেনে নেয়
আর পাঁচটা মাথা ,
ওরা টেবিলে এসে বসে ।।

দুটো গেলাস , কুচি বরফ,
অকারণ কারণ -এইসব হাওয়ায় ভেসে আসে ,
বা কষ্ট হবে বলে চোখ ঢেকে রাখে;
ব্যাথা কার বেশী , জানে শুধু ভলিনির টিউব ।।

গল্পে গল্পে শিল্পের মতো উঠে আসে
ভূগোলের বইয়ের পাতা থেকে নদী মন্দাকিনী ,
এবং সেও, যার ভূগোল দুজনেরই বরাবরের প্রিয় ;
ধর্মের ষাঁড় , অলুক্ষুণে বিড়াল – কিছু বাদ নেই ।।

কারণ ফুরয় ,তবু সাধনায় বিরাম নেই কোনও ।
খালি গ্লাসে কুচি বরফ গলে প্রগলভ হয় ।

ফেরার সময় ওভার হেড তারে বসে আয়রনি দেখে
নেশায় ওদের দুজনেরই গতি স্লথ ,
ট্রাফিক সিগন্যালেরও রিফ্লেক্স কমেছে খানিক -
গাড়িকে বকে দেয় নিজেই – আস্তে একটু !

তারপরের টুকু রিলিজের তাড়ায় হুড়োতাড়া করে কাঁচি চালানো ,
ছত্রিশ মিমিতে বেজায় এবড়োখেবড়ো দাগ -
পুনশ্চ লিখে , ও লাস্টে মনে করে অতি অবশ্য একটি বিসর্গ চিহ্ন এঁকে
সাঙ্গ এপিসোড ;

ঠিক বলেছিলেন মনিষীরা -
সুখে থাকতে গেলে তথা হিট সিরিয়ালে একতা’ই লাগে ।।

ইয়ারির কথা
  • 4.00 / 5 5
1 vote, 4.00 avg. rating (81% score)

Comments

comments