ধর্মও এক ধরনের নেটওয়ার্কই বটে । তার পলিটিক্যাল থিওরিগুলো হল সব চোখা চোখা  ইন্সট্রুমেন্ট । মানুষ হল গিয়ে গন্ধক , সোরা , পটাশ , কাঠকয়লা , লোহাচুর ইত্যাদি ইত্যাদি    (সব গুণ তো আর সব মানুষে থাকেনা ! গ্রুপে কালেকটিভলি থাকে। ) । অর্থাৎ  কিনা কাঁচামাল । আর বিস্ফোরণ হল ভবিতব্য ।
সবই কার্যকারণ সূত্র মেনেই ঘটা বাস্তব । ভিনগ্রহের কিছু নয় ।

এসব থাকবে । থেকেই যাবে । ভেবে দেখুন ,  মানুষ তো ইন্সটিঙ্কট বেসড হার্ড তৈরি করে না । মানুষের একাটঠা হবার ফরমুলা অন্য । তাদের রিজনিং  নামের একটা জিনিস আছে বলে বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন । আর রিজনিং- ফিজনিং মানেই হল অ্যাবস্ট্রাক্ট , ঝাপসা একটা  কিছু । চট করে যে কোয়ানটিফাই করবে তার জো নেই । মোট কথা আমাদের নাকি বুদ্ধি আছে, তাই আমরা একটু আলাদা।  সত্যিই আলাদা !    বুদ্ধি বলে বুদ্ধি !   ধর্ম তো যতোসব  "বুদ্ধিমান" লোকেদেরি মানস সন্তান । যারা শুধু অপরের ভালো করতে চাইলেন নিজের চরকায় তেল না দিয়ে , তারাই ধর্ম বানালেন ; তার গাছ পুঁতলেন , শিকড় গুলো যথেষ্ট বড় হয়ে গেলে নিশ্চিন্ত মনে মহাপ্রয়াণ করলেন আর বাকিদের জন্যে বেঁচে মরে থাকার ব্যবস্থা করে রেখে গেলেন । বেঁচে থেকেও মৃত্যু নামের পরম সত্য কে নিত্য  ছোঁওয়ার সৌভাগ্য কজনেরই বা হয় ! আহা ! এ তো পরম পাওয়া ! এই না হলে জীবন ! এর জন্যেই তো দুবেলা "জিনে দো " বলে ককিয়ে  ওঠা ।   


আর একটা কথা জিজ্ঞেস করেই ফেলি না হয় এই ফাঁকে ; আচ্ছা বিস্ফোরণে ভয় লাগে ?  সে কি ! লাগে ?  কি যে বলেন !  ধাতে সয় নি এখনো ? রেয়ার কেস !

ওহ বুঝেছি । আওয়াজ , রক্ত , নাড়িভুঁড়ি  এসবে ভয় লাগে  -  কি? ঠিক বলছি তো ?

তবে এতেও তেমন ঘাবড়াবার কিছু নেই । এর সলিউশন আছে  বই কি । যাকে বলে এক্কেরে  মোক্ষম দাওয়াই ।   বিস্ফোরণের জাস্ট আগে কান আর বিস্ফোরণের তুরন্ত পরে চোখ বন্ধ করে নিন ।  ব্যাস আপনি সেফ । কিছু জানলেনই না । ঝড় না দেখলে আর ঝড়ের ভয় কিসের ।

ইগনোরেন্স উইল রিমেইন আ ব্লিস ফরএভার ।

এ সময় লাঠালাঠিময় ( পর্ব -১)
  • 4.00 / 5 5
2 votes, 4.00 avg. rating (80% score)

Comments

comments