মুখবন্ধঃ না, কারোর মুখ বন্ধ করার জন্যে নয়, বরং কৈফিয়ত দেবার জন্যেই এই কথাগুলো লিখছি। এমনিতে আমার পেটে/হাতে/কি-বোর্ডে বোম মারলেও কোনদিন ছড়া বা কবিতা বেরোবে না (কেষ্টকে বলে টেস্ট করে দেখতে পার)। ছড়া তাও পড়ে কিছুটা বুঝি, কিন্তু কবিতা একেবারেই বুঝি না (নবকলম, সৌরভঃ আমার এই অজ্ঞতাকে ক্ষমা-ঘেন্না করে দিও)। কিন্তু ক্লাস ইলেভেন/টুয়েলভে পড়ার সময় ছ্যাবলামি করে না ছড়া না কবিতা এরকম কয়েকটা বস্তু বানিয়েছিলাম। হ্যাঁ, বানিয়েছিলাম। মুখে মুখে। লিখে রাখিনি কোথাও। আমারই মত আরও কয়েকজন ছ্যাবলাকে শুনিয়েছিলাম। তারা বলেছিল ভালই হয়েছে নাকি। এখন কয়েকদিন আগে শাক্য মুনির একটা লেখা পড়ে মনে হলঃ ঠিকই তো, চর্যাপদ যখন বিনা পয়সায় লেখার সুযোগ দিচ্ছে, লিখেই ফেলি না সেইগুলো। কেউ পড়লে পড়বে, না পোষালে পড়বে না। তাই এতদিন পরে স্মৃতি ঘেঁটে বের করে লিখেই ফেললাম সেগুলো। পড়ে ইচ্ছে হলে কেমন লাগল জানিও।

 

হাসি খাসির কাশি

 

এক যে ছিল খাসি,

তার নামটি ছিল হাসি।

তার ছিল এক মাসী।

একদিন সেই খাসি,

করল শুরু কাশি।

তাই শুনে তার মাসী…

বলল ছুটে আসি…

চোখের জলে ভাসি,

"তুই কাশিস কেন হাসি?"

বলল তখন হাসি,

"বাজাতে গিয়ে বাঁশি

হল আমার কাশি,

তুমি ভেব না গো মাসী।"

বলল তখন মাসী,

"তুই বাজাস না এ বাঁশি,

এ বাঁশি সর্বনাশী!"

বলে হাসির মাসী,

ফেলে দিল সেই বাঁশি।

তারপর হাসি, মাসী…

করল সুখে বাস-ই।।

ছ্যাবলামি – ১
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments