তখন সূর্য নিভু নিভু আঁচে,

হাওয়া সুড়সুড়ি গাছ থেকে গাছে ,

শেষপাত খোঁজে একাকী ডাহুক,

গোল ঢেউয়ে মাতে পুকুরের বুক ।

পাশাপাশি দুই সাইকেল নিয়ে,

সরু পথ বেয়ে দুই ছেলেমেয়ে;

চাঁদমারি মাঠ বেশ কিছু দূর

শিঙাড়া সেখানে জম্পেশ পুর;

আরও কিছু দূরে গলি ডানহাতে,

ঢুকলেই ডুব সন্ধ্যা দোয়াত –এ ;

শাঁখের আওয়াজ, কিছু ঘেউ ঘেউ,

সাইকেলদের চেনা নেই কেউ ;

আগে পিছে হয়ে ওরা কথা বলে,

মাইল খানেক এভাবেই চলে ,

বাঁদিকে কোথাও গলি শেষ হয়

“আশাকুঞ্জ”র নিওন আলোয় ।

 

মোড় পেরুলেই ‘হবি কর্নার’,

তারই একপাশে ভাদিলাল স্টল,

স্ট্রবেরি – ভ্যানিলা জিভে নিয়ে দেখা

কাঁচে চুমু খাওয়া গোরামিযুগল ।

চটকা ভাঙানো কতো হাঁকডাক

সজোরে, কোথাও মৃদু রাখঢাক ;

মুদী দোকানের মোটা বস্তায়

হলুদের গুঁড়ো চোখ টেনে নেয় ।

এরপরে ফের ঘরমুখো হওয়া,

সাইকেল চলে পিছে ফেলে হাওয়া ।

সূর্যেতে এসে চাঁদে ফিরে যাওয়া;

বাড়ি ফিরে এলে তবে খাওয়া-দাওয়া ।

রাত্রে হাঁসের ডিম, ঝাল ঝোল ;

আনারস দেওয়া মিঠে অম্বল ;

সাথে জিজ্ঞাসা , “গেলি কতোদূর ?”,

অর্ধসত্যে বেঁচে থাকে সুর।

ডায়েরির শেষ দিক থেকে ৩৮
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments