মাঝে মাঝে মনে হয় ,
আকাশের ঐ দগদগে নীল কালসিটেগুলো
বৃষ্টির জলে ধুয়ে গেলে,
অস্থি – মজ্জার নীচে তোমার সত্ত্বাকে ছোঁয়া যাবে।
অথবা অমৃতের সন্ধানে ,
ঐ সাগরের নোনা জল ছেঁচে ফেলে ;
মারিয়ানা খাতের গভীরে তোমার গোপন বাসর ঘর।
যেখানে তক্ষক সময়, আজও খুঁজে পায়নি
অযাচিত প্রবেশের অন্যায় অবারিত অধিকার।

তবে ভেবো না, আমি মরীচিকা প্রত্যাশায়
সময়কে লাথি মেরে,
অবিনশ্বর কালপুরুষ হয়ে
নির্নিমেষ চেয়ে থাকবো, তোমার দিকে চিরকাল অপলক।
বরং মাছের মুগ্ধ দৃষ্টি নিয়ে, বোবা বিস্ময়ে
ফুরিয়ে যাবো ধীরে ধীরে।
যেমন যজ্ঞাগ্নির কাঠ, শান্ত পদক্ষেপে বিদায় নেয়
বিকেলের নশ্বর সব ঝরা ফুল।

বরং এটাই সুখের;
এই আছি এই নেই।
কী হবে অমরত্ব কিনে ?
যদি অনন্তকাল মহাকাশের নীচে
এরকম একা-একা হেঁটে যেতে হয়।
কীহবে সুপ্রভাত বলে, সাদর সম্ভাষণ জানিয়ে ?
মহাকালের মুচকি হাসিতে,
সব আলাপই শেষ হয়
“হে বন্ধু বিদায়” বলে।

তাই ঠিক করেছি
একাই পেরিয়ে যাই, পায়ের নীচে বৃদ্ধ হাওড়া ব্রীজ।
পিছনে পড়ে থাকুক
ট্রামে চড়া কলকাতার মায়াবী অতীত স্বপ্ন দুপুর।

তোমার থেকে দূরে
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments