রোদে রাঙা ইঁটের পাঁজা

তার উপরে বসল রাজা

মাথার ওপর কাজের পাহাড়

শেষ হচ্ছে তবু কমছে না।

টুনটুনির হাতে রাজামশাইয়ের হেনস্থা হওয়ার খবর বহুদিন আগেই আমাদের জানিয়েছেন উপেন্দ্র কিশোর রায়চৌধুরী মহাশয়। এটা নিয়ে দীর্ঘ ভোগান্তির কথা ছিল, কিন্তু রাজবৈদ্যের হাতযশে স্বল্প রোগভোগের পর রাজামশাই দরবারে ফিরে এসেছেন। রাজবৈদ্য অত্যন্ত দক্ষতা এবং দ্রুততার সঙ্গে রাজামশাইয়ের নাকটিকে আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পেরেছেন। একটা সামান্য আঁচড়ের দাগ ছাড়া আর কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সমস্ত মন্ত্রীরা একই সঙ্গে আহ্লাদিত এবং উত্তেজিত। কিন্তু রাজামশাই একটু চিন্তিত ভাবে দরবারে প্রবেশ করলেন। কারন সম্প্রতি রাজ্যে এক উটকো উপদ্রব এসেছে। তার নাম সাংবাদিক। রাজামশাইয়ের কানেও ব্যাপারটি পৌঁছেছে। রাজামশাই প্রথমেই খোঁজ নিলেন বস্তুটি কি।

রাজা – বার্তা মন্ত্রী, শুনেছি গত কয়েক দিনে সাংবাদিক বলে কিছু একটা এসেছে। ব্যাপারটা কি।

বার্তামন্ত্রী – কিছুই নয় মহারাজ। আসলে আমি একা পেরে উঠিনা, রাজবাড়ি থেকে প্রতিদিন যে বিভিন্ন সংবাদ প্রকাশ করা হয় সেগুলি প্রচারের স্বার্থে আমরাই একসময় কতগুলি লোক নিয়োগ করেছিলাম। ওইগুলোই এখন সাংবাদিক নাম নিয়েছে।

রাজা – এরা তো আগেও ছিল, নতুন কি

বার্তা – ছিল, তবে আগে সব আপনার দিকেই ছিল। আর এখন সমস্যা হল বিদ্রোহীদের একটা দল এদের একাংশকে হাত করে নিয়েছে। সেই কারনেই আমরা এদের এখন দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছি। একদল পথু, অন্যদল বিপথু। পথুরা খুব ভাল, আর বিপথুরা খুব খারাপ। পথুদের সাথে আপনি কথা বলবেন, আর কারো সাথে আপনার কথা বলার দরকার নেই।

রাজা – এই পথু-বিপথু চিনলে কি করে

বার্তা – খুব সহজ। পথুরা আপনার জয়গান করে, আর বিপথুরা করে না। সবার কপালে একটা করে অদৃশ্য মোহর লাগিয়ে দিয়েছি। শুধু যাদের হাতে ক্ষমতা থাকবে, তারাই দেখতে পাবে।

রাজা –অবস্থাটা একটু বেগতিক ঠেকছে। ঠিক আছে, জায়গায় গিয়ে বস। আর শোন, পথুদের জন্য দরবারে বিশেষ ব্যবস্থা করো

বার্তা – আপনি চিন্তা করবেন না মহারাজ, আমি সব ঠিক করে নেব। সব তো আমাকেই সামলাতে হয়

বার্তামন্ত্রী জায়গায় গিয়ে বসলেন।

প্রধান মন্ত্রী উঠে দাঁড়ালেন।

রাজা – কিছু বলবে?

প্রধান – হ্যাঁ। এই যে বার্তা বলে গেলেন যে উনি নাকি সবকিছু সামলাচ্ছেন, সেটার কোন মানে নেই।

রাজা – ঠিক আছে। এখন বস। ওইসব পরে একান্ত আলাপচারিতা কক্ষে আলোচনা করা যাবে। এখন কাজের কথা বল

সমস্ত মন্ত্রীরা – কোন কাজ বাকি নেই মহারাজ। সব কাজ আমাদের শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধু দেখে যাওয়া কাজগুলি হচ্ছে।

রাজা – এটা তো অনেক আগের কথা। আমি তো বার্তাকে বলেছিলাম আমরা যে অধিকাংশ কাজ সেরে ফেলেছিলাম, সেটা যেন সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হয়।

বার্তা – মহারাজ তাই করা হয়েছে। কিন্তু বিদ্রোহীরা একদল লোকের মধ্যে আপনার বিরুদ্ধে উল্টোপাল্টা রটাচ্ছে। এখন ওরাই বলতে শুরু করেছে, ওদের নাকি জানাতে হবে কি কি কাজ বাকি আছে।

প্রধান – দেখুন মহারাজ, বার্তা এমন কাজ করেছে যে আপনার রাজ্যেই আপনার বিদ্রোহীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

বার্তা – মহারাজ এই সবই হচ্ছে ওই বিপথুদের কাজ।

রাজা – ঠিক আছে, এই বিষয়টিকেও একান্ত আলাপচারিতা কক্ষে আলোচনার তালিকায় তোলা হোক। আর প্রধান আমি তোমাকে সতর্ক করছি, তুমি আভ্যন্তরীণ বিবাদের বিষয়গুলিকে এইভাবে দরবারে সবার সামনে বলবে না। আচ্ছা উৎসবমন্ত্রী, তোমার কি খবর

উৎসব – আজ্ঞে মহারাজ, ভাল আছি।

রাজা – সেটা তো দেখতে পাচ্ছি। তুমি রাজকার্য কি করছ?

উৎসব – সেরকম কোন কাজ নেই।

রাজা – মানে? উৎসবের কি হল?

উৎসব – আজ্ঞে মহারাজ, আপনি যে সমস্ত উৎসবের পরিকল্পনা করেছিলেন সেইগুলি সবকটাই হয়েছে।

রাজা – তারপর? নতুন উৎসব কোথায়?

উৎসব – আজ্ঞে মহারাজ, বৈশাখ মাস পড়ে গেছে। ফাল্গুনে কোকিল আর চৈত্রে পলাশ উৎসবেই লোক হয়নি। সেইজন্যেই…

রাজা – তোমার মাথায় বুদ্ধি আর কবে হবে? এরকম গর্দভ আমি কম দেখেছি। নতুন যদি না-ও শুরু করতে পার, তাহলে তো অন্তত পৌষ-মাঘ মাসের উৎসবগুলিকে তো টেনে টেনে পরের অঘ্রান পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারতে। একটা ঠাণ্ডা ঠান্ডা ভাব থাকত। শুধু বার্তাকে দোষ দিয়ে কি হবে। উৎসব না থাকলে তো লোকে অন্য জিনিস নিয়ে মাতামাতি করবেই। শোন এই বৈশাখ থেকে অঘ্রান মাস কি কি করা যায় সেটা আমাকে জানাবে। সাতদিন সময় দিলাম। আর শোন, দুর্গোৎসবটাকে একমাস করবে, আর কালীপূজোটাকে দিন সাতেক পিছিয়ে দেবে। আর অর্থমন্ত্রী, যা লাগে দিয়ে দেবে

অর্থ – যে আজ্ঞে মহারাজ, রাজকোষের অর্থ আপনার ইচ্ছেমতই খরচ হবে।

রাজা – হ্যাঁ, রাজকোষের অর্থ আপাতত উৎসবের জন্যই তুলে রাখ। প্রধান আর কোনও খবর নেওয়া বাকি আছে কি

প্রধান –শিক্ষাটা বাকি আছে

রাজা – শিক্ষা? ওটা কোনও গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার নাকি? তোমাকে আমি আবার সতর্ক করছি একদম উল্টোপাল্টা কথা বলবে না। যাই হোক বলেই যখন ফেলেছ তখন…কি হে শিক্ষা, কি খবর? পাঠশালা বন্ধ হয়েছে?

শিক্ষা – না মহারাজ

রাজা – আরে তোমরা কি আমায় পথে বসাবে নাকি? সেই কবে বুড়ো রাজা পাঠশালা বন্ধ করার দিকে একটু এগিয়ে ছিল, তারপর আমার অকালকুষ্মাণ্ড দাদাটা ব্যাপারটাতে বাগড়া দিয়েছিল

শিক্ষা – খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি

রাজা – আরে সুবিধে না করতেও পারলেও রাজ্যটাকে তো পিছিয়ে দিয়েছিল। লোকে যে বলছে আমি বুড়ো রাজার যোগ্য উত্তরসূরি, সেটা তোমাদের কানে ঢোকে না?

শিক্ষা – আজ্ঞে মহারাজ, আমি তো চেয়েছিলাম। ওই বিপথুগুলো এমন লোক খেপিয়েছে যে বাধ্য হয়ে আমাকে সরে আসতে হয়েছে।

রাজা – উফ্ বার্তা তুমি কি কাণ্ড করেছ দেখেছ? যাকগে, তাড়াহুড়ো করতে যেও না, আস্তে আস্তে এগোও। মনে রাখবে আমাদের লক্ষ্য পাঠশালা বন্ধ করা। রোজ সকালে সুর্যের দিকে তাকিয়ে একশ আট বার জপবে – পাঠশালা নিপাত যাক। আর হ্যাঁ, শোন সবার আগে যেন ওই কৃষ্ণের বংশের নামে যে পাঠশালাটা আছে ওটা বন্ধ হয়। ওর পড়ুয়াগুলো শুনেছি বড্ড পাকা। যাও এখন জায়গায় গিয়ে বস।

শিক্ষা – যে আজ্ঞে মহারাজ

রাজা – শিল্প এদিকে এস। শিল্পের কি খবর?

শিল্প – খুব ভাল মহারাজ।

রাজা – শোন আমার দাদা শিল্প কিচ্ছু বুঝতো না। হ্যাঁ মনে রাখবে বুড়ো রাজার রাস্তাই আমাদের রাস্তা। লোকে নাচ-গান করছে তো?

শিল্প – হ্যাঁ মহারাজ। একটু আগেই উৎসবের সঙ্গে তো আমার কথাবার্তা কিছুটা এগিয়েছে। আমরা দু’জনে হাত মিলিয়ে কাজ করব।

রাজা – যাক ধমক খেয়ে উৎসবের বুদ্ধি খুলেছে। আর হ্যাঁ ছবি আঁকা-টাঁকাগুলির দিকে নজর রেখ। শিক্ষা, তুমি যতদিন না পাঠশালা বন্ধ না করতে পারছ, ততদিন শিল্পের সাথে কথা বলে দেখো, কি কি শিল্প পাঠশালাতে শেখানো যায়। আর শাস্ত্রে কত রকমের শিল্প আছে খোঁজ নাও। রোজ রোজ নতুন একটা কিছু করার চেষ্টা করবে।

শিল্প – এটা কিন্তু মহারাজ বুড়ো রাজার মাথাতেও আসেনি

রাজা – কোন কথাটা?

শিল্প – ওই যে শাস্ত্রে শিল্পের কথাটা

রাজা – যুগ পাল্টাচ্ছে। আর মনে রেখ, বুড়ো রাজা যে আমাদের আদর্শ এই কথাটা গাপচে বেড়ানোর দরকার নেই, শুধু মাথায় রাখবে। আমাদের কাজ শুধু বুড়ো রাজার স্বপ্নকে আরও উন্নত রূপ দিয়ে বাস্তবায়িত করা। যদিও একটা দোষ লোকটার ছিল, লোক চিনত না। সেইবার সেই মনসবদারিটা পেয়ে প্রনাম করে এলাম তাও দাদা ছিল একেবারে চোখের মণি। তবু দাদা একবার বুড়োকে চোর বলেছিল। তা চোরের সিংহাসনে তুই বসলি কেন? আমাকে যদি সোজা সিংহাসনে বসাত, তাহলে অনর্থক আর দাদার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে হত না। কে জানে মরার সময় বুঝেছিল কিনা দাদা নাম ডুবিয়েছে। তবে শেষকালে আমার দিকেও একটু মুখ তুলেছিল। মাঝেমধ্যে ডাকত-টাকত। নেহাত মরার সময় দাদা সিংহাসনে ছিল, কিচ্ছু করেনি। রাজকোষটাও আমার হাতে ছিল না…থাকলে দেখিয়ে দিতাম শ্রাদ্ধ কাকে বলে

উৎসব – মহারাজ, বুড়ো রাজার শতবর্ষ হতে তো বেশি দেরি নেই

রাজা – আরে উৎসব, তোমার তো মাথা দৌড়চ্ছে। লেগে পড়, এখন থেকেই লেগে পড়। শোন একদম বচ্ছরভর উৎসব চাই। দাদা যেন টুঁ শব্দ করতে না পারে।

উৎসব – করবে কি করে? কারাগারের বাইরে আছে এটাই কি ওর সৌভাগ্য নয়?

রাজা – সে তো আমি দয়া করে রেখেছি বলে, ওর এখন বছর দশেক চুপ করে থাকা উচিত

বার্তা – মহারাজ শতবর্ষের কাজটা যেন একটু গোপনে হয়। বিপথুগুলো যদি জানতে পারে, তাহলে আবার এই নিয়ে বাজার মাত করবে

রাজা – শোন গোপনে কাজ করা আমার ধাতে নেই। তুমি বরং সবাইকে ডেকে বলে দাও যাতে লোকে বোঝে যে বুড়ো রাজা আমার সাথে যে ব্যবহারই করে থাকুক না কেন, আমি তাঁকে সম্মান করি।

রক্ষামন্ত্রী উঠে দাঁড়ালেন

রক্ষা – মহারাজ, আমার কিছু বক্তব্য আছে।

রাজা – বলে ফেল

রক্ষামন্ত্রী – সেনাপতি আমার কোনও কথাই শুনতে চাইছে না। ওকে বদলাতে হবে।

রাজা – এইটা যে হবে আমি আগেই জানতাম। এই প্রধান তোমার জন্যই আমি ওকে রেখেছিলাম। তখনই বলেছিলাম, ও সেই দাদার আমলের লোক, ওর দরকার নেই।

রক্ষা – প্রথম প্রথম ঠিক ছিল, এখন বড্ড বাড়াবাড়ি শুরু করেছে।

রাজা – কি হয়েছে, বল তো শুনি।

রক্ষামন্ত্রী – মহারাজ আপনার নিশ্চয় সেই হতচ্ছাড়া টুনটুনিটার কথা মনে আছে, যেটা আপনার নাক…..

রাজা – শোন রক্ষা এটা কাজের জায়গা, বাজে কথার জায়গা নয়

রক্ষা – কিন্তু….

রাজা – ওর পর থেকে কি হয়েছে বল

রক্ষা – যে সেপাই আপনার নাক……

রাজা – আবার বাজে কথা?

রক্ষা – ওঃ বারবার ভুল হয়ে যাচ্ছে। যে সেপাই ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল, আমরা আগে থেকেই সন্দেহ করেছিলাম যে ও আপনার দাদার লোক

প্রধান – যদিও ব্যাপারটা প্রমান হয়নি

রাজা – সন্দেহ, প্রমান এসবের মানে কি? আমি তো একটা পদ্ধতি ঠিক করে দিয়েছি যাতে করে বোঝা যায় কে দাদার লোক আর কে আমাদের। আর প্রধান মনে রেখো, মন্ত্রীসভা আমি চালাই, তুমি নয়। অনেকক্ষণ ধরে তোমাকে সহ্য করছি। দেশ থেকে তোমায় পাঠিয়েছে বলে কি মাথা কিনে নিয়েছ নাকি। রক্ষা তুমি বল

রক্ষা – নিঃসন্দেহে ওই রক্ষী আপনার দাদার লোক। যাইহোক মহারাজ, টুনটুনিটা তো কোথায় পালিয়েছে, সেনাপতি তার খোঁজ পর্যন্ত পায়নি। উল্টে ওই সেপাইটার সাথে মোহরের রক্ষীদেরও বরখাস্ত করেছে। ওই রকম তাজা রক্ষী পাওয়া তো সহজ কথা নয়। আমি আঁতিপাঁতি করে খুঁজে এনেছিলাম

রাজা – তুমি খুঁজেছিলে?

রক্ষা – আজ্ঞে না। আপনি

সেনাপতির ডাক এল দরবার থেকে। সেনাপতি রাজামশাইকে যথাবিহিত সম্মান দেখিয়ে দরবারে ঢুকলেন।

রাজা – সেনাপতি কি ব্যাপার? মোহরের রক্ষীদের কেন বরখাস্ত করা হল?

সেনাপতি – মহারাজ, ওই রক্ষী আপনার আদেশেই আপনার সামনে খোলা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়িয়েছিল। আপনার নির্দেশ ছিল টুনটুনি বের হলেই যেন তাকে মারা হয়। ঘটনাচক্রে আপনার নাক……

রক্ষা – সেনাপতি, কতবার আপনাকে বারন করা হয়েছে দরবারে বাজে কথা না বলতে। বলুন রাজা মশাই আহত হয়েছিলেন

সেনাপতি – দুঃখিত। ঘটনাচক্রে আপনি আহত হয়ে যান। আমি সঙ্গে সঙ্গে তাকে বরখাস্ত করি। কিন্তু বাহিনীর মধ্যে প্রশ্ন ওঠে, কোনও ঘটনাই ঘটত না যদি টুনটুনি ওই মোহরটা না পেত। তাহলে কেন মোহরের রক্ষীদের ছেড়ে দেওয়া হবে

রাজা – তুমি জানতে না যে ওই রক্ষীরা আমার লোক

সেনাপতি – জানতাম মহারাজ। সেই জন্যেই প্রথমে কিছু করিনি। কিন্তু উপায় ছিল না

রাজা – শোন রক্ষা, সেনাপতিকে কারাগারের প্রধান বানিয়ে দাও, আর কারাগারের প্রধানকে সেনাপতি। আর বার্তা, তুমি সবাইকে বলে দিও যে টুনটুনিকে ধরতে না পারার জন্যই এই ব্যবস্থা নিতে হল। চল আজকে আর ভাল লাগছে না, সবাই মিলে একটা গান করি তারপর বাড়ি চলে যাও।

সমবেত সংগীত –    টিকি বাঁধা যত গাইয়ে আঁকিয়ে

সবাইকে দেব ভূষিত করিয়ে

আর যত ব্যাটা মহা ঘাড় ট্যারা

বার্তা ভীষণ শোন হে তোমরা

সব্বাইকে দেব পটকে

স স স সব্বাইকে দেব পটকে

দরবারী কাড়া-নাকাড়া
  • 3.00 / 5 5
1 vote, 3.00 avg. rating (71% score)

Comments

comments