ফ্রিজ থেকে দুপুরে রান্না হওয়া মাংসটা বের করে মাইক্রোওয়েভে ঢুকিয়ে গণেশ একবার উঁকি মেরে ড্রয়িং রুমের দেওয়াল ঘড়িটাতে সময় দেখে নিল। দশটা বাজতে তিন। এতক্ষণে তো দাদাবাবুর নীচে এসে যাবার কথা। প্রতিদিনই দাদাবাবু পৌনে দশটা নাগাদ নীচে চলে আসেন। কিছুক্ষণ টিভিতে খবর টবর দেখে দশটায় ডিনার করতে বসে যান। সাধারনত এই নিয়মের কোনও ব্যতিক্রম হয় না।

তবে আজকের কথা একটু আলাদা। সন্ধ্যায় যখন দাদাবাবু কাজ থেকে ফিরলেন, তখনই তাঁকে দেখে গণেশের মনে হয়েছিল ওনার মেজাজটা আজ খুব একটা ভালো নেই। সবাইকে শুধুশুধু বকাবকি করলেন। তারপরে বললেন ফ্রিজ থেকে মদের বোতলটা আর গ্লাস দিয়ে যেতে। সেই থেকে হয়ত সমানে ড্রিঙ্ক করে যাচ্ছেন। তারপরে তো যা কাণ্ড হল। প্রায় পনের বছর হয়ে গেল দাদাবাবুর এখানে কাজ করছে সে। কিন্তু কোনওদিনই দাদাবাবুকে এতটা রেগে যেতে দেখেনি। আজ হয়ত এসব কারনেই দাদাবাবুর দেরী হচ্ছে।

মাইক্রোওয়েভটার আওয়াজ শুনে আবার সম্বিত ফিরল গণেশের। মাংসটা বের করে ডাইনিং টেবিলে রাখতে এসে দেখল দশটা বেজে গেছে। রাখালের মা স্যালাড কাটছিল। গণেশ তাকে বলল, – দাও দিদি, আমি বাকিটা কেটে দিচ্ছি। তুমি বরং গিয়ে দাদাবাবুকে একবার ডাক দিয়ে এস।

রাখালের মার আবার দোতলায় ওঠার ইচ্ছে ছিল না। বেজার মুখে বলল, – আবার ডাকতে হবে কেন, ও এমনিই এসে যাবে। ছাইপাঁশ গিলে রয়েছে এখন। আমি যেতে পারবনি। তুই যা।

গণেশ বলল, – তুমি যাও না। আমি এই ফাঁকে ডালটা গরম করে নিই।

রাখালের মা মাইক্রোওয়েভ চালাতে পারে না। কাজেই অনিচ্ছাসহকারে গেল ডাকতে। গণেশ ডালটা গরম করতে দিয়ে বাকী স্যালাড কাটতে শুরু করল।

হঠাৎ একটা তীব্র চিৎকার শুনে চমকে গিয়ে গণেশ আরেকটু হলে নিজের আঙ্গুলটাই কেটে ফেলছিল। রাখালের মার গলা। কি হল রে বাবা? দৌড়ে বেরল রান্নাঘর থেকে। দেখে নিজের ঘর থেকে কেশববাবুও চিৎকার শুনে বেরিয়ে এসেছে। ওপর থেকে এসেছে আওয়াজটা। একসাথে দুতিনটে করে সিঁড়ি ভেঙ্গে দোতলায় পৌঁছে দেখল দাদাবাবুর ঘরের দরজার সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে রাখালের মা।

তাকে ডিঙ্গিয়ে দাদাবাবুর ঘরের ভিতর ঢুকতেই একটা তীব্র মিষ্টি অথচ ঝাঁঝাল গন্ধে মাথাটা একটু টলে গেল গণেশের। কোনওভাবে নিজেকে সামলে সামনে তাকিয়ে যা দেখল তাতে তার বুকের রক্ত হিম হয়ে গেল।

বিছানার ওপর দাদাবাবু চিত হয়ে শুয়ে আছে। গলার নলিটা কাটা, একেবারে হাঁ হয়ে রয়েছে। বিছানার সাদা চাদরটা চাপ চাপ রক্তে লাল হয়ে গেছে। সারাটা ঘর রক্তে ভেসে যাচ্ছে।

অচিন্ত্য সরকার যে আর বেঁচে নেই সেটা বোঝার জন্যে কোনও ডাক্তারী ডিগ্রি থাকার দরকার নেই। খালি চোখে দেখেই বোঝা যাচ্ছে বহুক্ষণ হল অচিন্ত্য মারা গেছে।

 

 

সকালের মর্নিং ওয়াকটা সেরে ফেরার সময় অনিকেত দেখলেন গেটের বাইরে একটা লাল রঙের টাটা ইন্ডিকা দাঁড়িয়ে রয়েছে। তার মানে কেউ এসেছে দেখা করতে। একটু অবাকই হলেন তিনি। সবে সাড়ে সাতটা বাজে। এত সকালে আবার কে দেখা করতে এল?

দীর্ঘ ছত্রিশ বছর সিবিআই তথা সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনে দাপটের সাথে চাকরী করে সবে চার মাস আগে রিটায়ার করেছেন অনিকেত স্যান্যাল। একদম জুনিয়র অফিসার হিসেবে জয়েন করে ধীরে ধীরে নিজের যোগ্যতায় উন্নতি করতে করতে অবসরের দেড় বছর আগে সিবিআই-এর ডিরেক্টর পদে প্রমোশন পেয়েছিলেন তিনি। অবসরের পর দিল্লী থেকে কোলকাতায় ফিরে রিটায়ার্ড লাইফের বৈচিত্রহীন নিস্তরঙ্গ জীবনযাত্রায় এখনও সেইভাবে মানিয়ে উঠতে পারেননি। সেই সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রাতঃভ্রমণ, ফিরে এসে ব্রেকফাস্ট করে পত্রিকা পড়া, তারপরে চান সেরে কিছুক্ষণ টিবি দেখে দুপুরের খাওয়া, ভাতঘুম, আবার বিকেলে একটু ঘুরতে যাওয়া, ফিরে এসে আবার টিভি, ডিনার সেরে আবার ঘুমোতে যাওয়া – দিনগুলো যেন কাটতেই চায় না। একঘেয়ে জীবনটার প্রতি একরকম বিরক্তিই এসে গিয়েছিল তার। এরকম অবস্থায় কেউ দেখা করতে এলে তাও কিছুটা সময় কাটে। তাই আগ্রহ সহকারে পা চালালেন তিনি।

ঘরে ঢুকে দেখলেন গৌতম এসেছে। সোফায় বসে আজকের পেপারটা নাড়াচাড়া করছে। তাকে দেখে মেজাজটা একটু খুশী হয়ে গেল অনিকেতের। এই ছেলেটাকে বেশ ভালো লাগে তাঁর। নিজের ছেলের মতই দেখেন। লালবাজারে হোমিসাইড স্কোয়াডের একজন সিনিয়র ইনস্পেক্টর গৌতম। মাত্র আঠাশ বছর বয়সেই কঠোর পরিশ্রম আর বুদ্ধির দৌলতে বেশ উন্নতি করে ফেলেছে। সৎ পুলিশ অফিসার হিসেবে অল্প বিস্তর নামডাকও হয়েছে। গৌতমের বাবাকেও এককালে চিনতেন তিনি। একই স্কুলে পড়তেন তাঁরা দুজন, যদিও ভিন্ন ক্লাসে। এখনও কাছাকাছিই থাকেন। বাজারে বা পাড়ার কোনও অনুষ্ঠানে দেখা সাক্ষাৎও হয়ে যায় কালে ভদ্রে।

তাঁকে ঘরে ঢুকতে দেখে গৌতম সসম্ভ্রমে উঠে দাঁড়াল। বলল, – গুড মর্নিং স্যার! কেমন আছেন?

– গুড মর্নিং! এই তো ফার্স্ট ক্লাস আছি। কিন্তু গৌতম, আমি তো তোমাকে অনেকবার বলেছি তুমি আমাকে স্যার নয়, জ্যেঠু বলে ডাকবে। তুমি তো বাবলুরই বয়সী।

বাবলু অনিকেতের ছেলে। সে বেঙ্গালুরুতে চাকরী করে। বয়স গৌতমেরই মত। গৌতমকে এত স্নেহ করার পিছনে এটাও একটা কারণ।  

– ঠিক আছে জ্যেঠু। গৌতম হাসল।

– ভেরি গুড! যাই হোক এবার বল তুমি কেমন আছ? বৌমা কেমন আছে? বাবা মা ভালো আছেন তো?

– হ্যাঁ, আমরা সবাই ভালই আছি।

– বল এবার সাত সকালে কি মনে করে? দাঁড়াও চা বলি। সোফায় বসে বললেন অনিকেত।

– চা এসে গেছে, ব্যস্ত হতে হবে না। ট্রে হাতে ঘরে ঢুকে বলল দময়ন্তী, অনিকেতের অর্ধাঙ্গিনী। সপ্রসংস দৃষ্টিতে স্ত্রীকে দেখলেন অনিকেত। সত্যিই দময়ন্তীকে কিছু বলে দিতে হয় না। অনিকেতের মনের কথা ঠিক ম্যাজিকের মত বুঝে যায় সে। নয় নয় করে পঁয়ত্রিশটা বছর কেটে গেল বিয়ে হবার পর, অনিকেতকে কখনই কোনও জিনিসের অভাব বুঝতে দেয়নি সে। যখনই যে জিনিসটা চাই তাঁর, ঠিক হাতের কাছেই পেয়ে গেছেন তিনি। এমন স্ত্রী পাওয়াটা সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার।

টী–পট থেকে কাপে চা ঢালতে ঢালতে বলল দময়ন্তী, – গৌতম অনেকদিন বাদে এসেছ। কোনও কথা শুনব না। ময়দা মাখতে বলে এসেছি। একেবারে ব্রেকফাস্ট করে তারপরে যাবে।

গৌতমের মৃদু আপত্তি উড়িয়ে দিয়ে তার কাপে পরিমাণ মত দুধ চিনি দিয়ে আর অনিকেতের জন্যে লিকার চা বানিয়ে দিয়ে দময়ন্তী বলল, – নাও! এবার তোমরা কথা বল। আমি গিয়ে লুচিগুলো ভাজতে শুরু করি।

চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে গৌতম ইতস্তত করছে দেখে অনিকেত বললেন, – আমি বুঝতে পারছি তুমি কিছু একটা বলতে চাইছ, কিন্তু বলতে পারছ না। কি বলতে চাইছ, সেটাও হয়ত আন্দাজ করতে পারছি। কিন্তু আমি তোমার মুখ থেকেই শুনতে চাই। নাও চায়ে চুমুক দিতে দিতে বলে ফেল কি বলতে চাও।

একটু হেসে গৌতম বলল, – আপনি ঠিকই ধরেছেন জ্যেঠু। কথাটা কিভাবে আপনাকে বলব ভেবে পাচ্ছি না।   

– ডোন্ট ওয়রি! মাই ডিয়ার বয়! নির্দ্বিধায় বল।

গৌতম এবার একটু সহজ হল, – আপনি নিশ্চয়ই পেপারে অচিন্ত্য সরকারের মৃত্যু সম্বন্ধে পড়েছেন। আমি সেই ব্যপারে আপনার সাথে একটু কথা বলতে এসেছি।

– হুমম! তাহলে আমি ঠিকই গেস করেছিলাম। এতবড় একটা মার্ডার মিস্ট্রি যখন সব জায়গায় লোকের মুখে মুখে ঘুরছে, তখন লালবাজার হোমিসাইডের ডাকসাইটে অফিসার সাত সকালে এমনি এমনি জ্যেঠুর সাথে কুশল বিনিময় করতে আসবে এটা একটু অবাক করার মত। তাই নয় কি? অনিকেত মিটিমিটি হাসলেন, – তবে আমি আগে থেকে কিছু বলতে চাইনি, কেন জান? গোয়েন্দার কাছে কেউ দেখা করতে এলে সে নিজে থেকে শার্লক হোমসের মত সব বলে দেবে, এই ব্যপারটা না একদম ক্লিশে হয়ে গেছে। ঠিক কি না, বল?

তাঁর কথা বলার ধরনে গৌতমের মুখেও হাসি ফুটল, – আমিও বুঝেছিলাম আপনি আন্দাজ করে ফেলেছেন।

– যাই হোক। হ্যাঁ আমি পড়েছি খবরটা। কিন্তু পেপারে যে পড়লাম পুলিশ অলরেডি কাকে জানি গ্রেপ্তার করেছে।

– হ্যাঁ। অচিন্ত্য সরকারের ছেলে সৈকতকে বাবাকে হত্যার দায়ে অ্যারেস্ট করা হয়েছে। আর এই জন্যেই আমি আপনার কাছে এসেছি জ্যেঠু।

অনিকেতের ভুরুতে ঈষৎ ভাঁজ পড়ল। – কেন? তুমি কি মনে কর সে খুনটা করেনি?

– হ্যাঁ জ্যেঠু। আমি মনে করি সে খুনটা করেনি। গৌতমের গলায় দৃঢ়তা, – ওর শিক্ষা, স্বভাব, চরিত্র এসব সম্বন্ধে জানলে আপনিও মেনে নিতে পারতেন না যে সে খুন করছে। আমি ছেলেটাকে পার্সোনালি চিনি। আমার এক মামাতো ভাই ওর ক্লাসমেট ছিল যাদবপুর ইউনিভার্সিটিতে। ওর কাছে শুনেছি যে সৈকত নাকি খুব ভালো কবিতাও লেখে। আপনিই বলুন জ্যেঠু যে ছেলে কবিতা লেখে, সে কি খুন করতে পারে?

– গৌতম, একথা ভুললে কিন্তু চলবে না যে তোমার আমার প্রফেশনে কিন্তু ইমোশনের কোনও জায়গা নেই। অনিকেত বোঝাতে চাইলেন, – আমি আমার চাকরী জীবনে অনেক ভালো ভালো কবির সাথে পরিচিত হয়েছি যারা সন্ত্রাসবাদের মত ঘৃণিত কাজের সাথেও যুক্ত।

– সে আমি জানি জ্যেঠু! কিন্তু তাও আমার সিক্সথ সেন্স বলছে যে আমরা ভুল করছি।

– ছেলেটা কি বলছে?

– আরে, সেটাই তো মুশকিল হয়েছে। ছেলেটা মুখই খুলছে না। সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ওর বিরুদ্ধে। এমনকি খুনটা যে ঘরে হয়েছে সেই ঘরে ওর লাইটার পাওয়া গেছে, সেটাতে ওর হাতের ছাপ স্পষ্ট। এত কিছু স্বত্বেও ও কিছুতেই সব কথা খুলে বলছে না। ওর বয়স কম। তাছাড়া ওর অ্যাকাডেমিক রেকর্ড বিচার করে এখনও ওকে থার্ড ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে না। একবার সেটা শুরু হয়ে গেলে ও আর সহ্য করতে পারবে না। খুনটা না করলেও দোষ স্বীকার করে নিতে বাধ্য হবে। আমি সেটা চাইছি না।

– তুমি তাহলে কি চাইছ? প্রশ্ন করলেন অনিকেত।

– আমি চাইছি আপনি যদি এই কেসটাতে আনঅফিসিয়ালি আমাকে একটু গাইড করেন। কাতর আবেদন গৌতমের।

ভিতরে ভিতরে খুশী হলেও অনিকেত বাইরে সেটা প্রকাশ করলেন না। গলায় একটা মেকি চিন্তার ছাপ ফেলে বললেন, – কিন্তু আমি তো রিটায়ার করেছি। তাছাড়া এটা কোলকাতা পুলিশের জুরিসডিকশনে পড়ে…

– ও নিয়ে আপনি একদম ভাববেন না জ্যেঠু। আমি সব সামলে নেব। অনিকেতকে কথা শেষ করতে দিল না গৌতম। – আপনি এই কেসে একেবারে স্বাধীনভাবে তদন্ত করবেন। আপনার যা দরকার হবে, ফোর্স বা ইনফরমেশন, সব আপনি আমাকে বলবেন। আমি যথাসাধ্য সাহায্য করব। আমি খালি চাইছি আপনি আপনার এক্সপার্টাইজ কাজে লাগিয়ে একবার তদন্ত করে দেখুন যে আমরা ভুল করছি না ঠিক। আমি চাইনা পুলিশের রুটিন ইনভেস্টিগেশনের জন্যে কোনও নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি পাক।

– কিন্তু তোমার ডিপার্টমেন্ট কি মেনে নেবে, আমার মত একজন আউটসাইডার…

আবার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলল গৌতম, – আপনি যে এই কেসে তদন্ত করছেন, সেটা আমি ওপরমহলে জানাব না। আপনি তদন্ত করে সত্যিটা বের করলে আমি অ্যাকশন নেব। কোনও অসুবিধা হবে না।

হায় রে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। তোরা আর বদলালি না। তদন্ত করে অপরাধীকে সনাক্ত করে দেব আমি, আর তোরা তাকে অ্যারেস্ট করে ফিতে কাটবি। মনে মনে ভাবলেও মুখে এসব প্রকাশ করলেন না অনিকেত। গৌতমকে তিনি ছোট থেকে চেনেন। সে হয়ত সরল মনেই কথাগুলো বলছে। তাছাড়া তিনি ভিতর ভিতর দারুণ উত্তেজিতও। অনেকদিন বাদে একটা কিছু করার সুযোগ এসেছে। নিজের কর্মজীবনে অনেক ধরনের কেসের তদন্ত করেছেন তিনি। করাপশন, টেররিজম এবং আরও অনেক রকম। ডিরেক্টর থাকাকালীন বেশ কিছু হাই প্রোফাইল মার্ডার কেসেরও নিয়মিত আপডেট আসত তাঁর টেবিলে। কিন্তু সরাসরি হোমিসাইড বা খুনের তদন্ত করার ইচ্ছে থাকলেও কোনদিন সেই সুযোগ তাঁর হয়নি। ছোটবেলা থেকেই ডিটেকটিভ গল্পের পোকা ছিলেন তিনি। হোমস, পোয়্যরো থেকে শুরু করে ব্যোমকেশ, ফেলুদা সবই তাঁর গুলে খাওয়া। তাই তাঁর বিশ্বাস তিনি পারবেন। ডিটেকশন এবং ডিডাকশনের ক্ষমতার জন্যে এককালে বেশ সুখ্যাতিও ছিল তাঁর।

এরকম সময়ে ঘরের হেল্পিং হ্যান্ড সহদেব এসে বলল যে ব্রেকফাস্ট রেডি। দময়ন্তী ডাকছেন।

অনিকেত বললেন, – চল গৌতম, ব্রেকফাস্ট সেরে কেসটা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

(ক্রমশ)

 

পরের পর্বঃ দ্বিতীয় পর্ব

দায়।। (প্রথম পর্ব)
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments