জনাকয়েক অর্বাচীন গিয়েছিলো মোমবাতির বাড়ি ;
সাথে নিয়েছিলো দেয়ালের সাইজের প্রকাণ্ড আয়না ।।

দক্ষিণের জানালা হাট করে খুলে দিয়ে
নিষ্ঠুর ঠোঁট চেটে দেখেছিল তারা -
শিখার অস্বস্তি, অস্তিত্ব সঙ্কট ।।

ভাসিয়ে দিয়েছিল "জ্বলে যাবি , গলে যাবি"-র
মতো তীক্ষ্ণ তাচ্ছিল্য ।।

মোলায়েম মোমবাতি জ্বলতে জ্বলতে করুণ চোখে
দর্পণে দেখেছিল নিজের নেমে যাওয়া,
রসদ ফুরিয়ে কমে যাওয়ার বিভীষিকা ।।

অজান্তেই বেশ খানিকটা আক্রোশ জন্মেছিল
আপাত – নশ্বর আগুনে ।।

ওই নির্বোধ গুলোর স্পর্ধা আকাশ ছুঁল যেদিন ;
ভাবলে তারা – আগামী মশকরা সূর্যের সাথে হোক তবে !!

ভোরের সূর্য নিতান্ত নরম ,
খুব বেশি হলে চায়ের বিজ্ঞাপন ;
তা-ই ঠিক হল ,বেয়াড়া রসিকতা দুপুরেই হবে ।।

পরিকল্পনা মতোই সূর্যকে সার্সি দেখালে তারা ।
তেজপুঞ্জিভূত আলোর সাগরে প্লাবিত হল চতুর্দিক ।।

অজ্ঞানে আগেই বন্ধ ছিল মন ,
অন্ধ ছিল চেতনা ;
প্রখর আলোয় ঝলসে এবারে অন্ধ হল সবকটি চোখ ।।
যে চোখ দেখেছে অনেক , তবু বোঝেনি কখনো ,
আগুনের কোনও সংজ্ঞাত ডাইমেন্সন হয় না ।।

দুর্বোধ্য ১

দুর্বোধ্য ৩

দুর্বোধ্য ২
  • 4.50 / 5 5
2 votes, 4.50 avg. rating (87% score)

Comments

comments