মাপে হোক গিয়ে চার বাই পাঁচ ,
জানালাটা আদ্যন্ত অনন্ত ফ্রেম ।।

একা মানুষের ঐকিক পৃথিবীর চেয়ে ঢের বেশি বড়ো… ।

আমি সূর্য দেখি ;
আর সূর্যে ডুবে গিয়ে গাংচিলে ঢাকা স্টিমার – জেটি ;
মা দুর্গা- মন্দির দেখেন , রেশন দোকান ;
বাবার চোখে কারখানার ধোঁয়া ,
রাতে আকাশের তারা ।।

সূর্য বোধনে চা- বিস্কুট দেখে ,
তারপরে ডিমের অমলেট,
তুষ খুঁটে খাওয়া রিকশার চাকা এড়িয়ে বাঁচা চড়াই ,
লেট রাইজারের ঘামে ভেজা গায়ের চাদর ,
মধুচাঁদ হাসা হোটেল-ঘরে বিন্দি ঘষটে যাওয়া খুশি কপাল ।।

আমরা সবাই দেখি কার্নিশে বিড়াল ,
বিদ্যুৎ – খুঁটিতে শালিক ।।

বয়ঃসন্ধিতে থাকা কিশোর দেখে
পাশের বাড়ির ছাদ ,
শুকোতে দেওয়া কাপড় ,
কাপড় তুলতে আসা কেউ ,
তারও ভেতরে আরও অনেক কিছু ।।

পুশ্যি বাঘা খুঁটিয়ে রাস্তা দেখে,
আরও ক'টা নতুন মানুষ ,
আরও ক'টা নতুন কুকুর ।।

বাড়ির মাছিটা জানালার কাঁচে গোঁত্তা খেয়ে
দেখে চলে পাটালি গুড় ,রাস্তার অন্য পাড়ে ।।

অতিথি ভোমরা দেখে জানালার তাকে ডায়ান্থাস ,
হাতে আঁকা টব ।।

রাত গড়ালে চাঁদ দেখে পড়ার টেবিল ,
শোবার খাট , প্যান্টের চোরাপকেট ,
ব্যাগের লুকনো গোপন খোপ ,
জেগে থাকা শ্যাডো -আরও বহু মুভমেন্ট ।।

এতগুলো পৃথিবীর একসাথে থাকা কাছাকাছি ;
কি সাঙ্ঘাতিক !!
এপাশ- ওপাশ মিলে এত বিচিত্র দিক…!
কতোসতো লোক-দেখা , দেখানো ।।
ভেবেছিলে কোনদিনও ,
এরকম কম দামে একসাথে পাবে ??

দুর্বোধ্য ৫

দুর্বোধ্য ৭

দুর্বোধ্য ৬
  • 5.00 / 5 5
2 votes, 5.00 avg. rating (94% score)

Comments

comments