‘ঈশান-অগ্নি’ পেরিয়ে,
‘নৈঋৎ’ তোমায় ছোঁব বলে;
দেখো চেয়ে,
কেমন বর্ষা প্রপাতে আমি,
পাল তোলা নদীর সাথে
অধোমুখ হয়ে ভেসে চলেছি।

ধূসর গ্রীষ্মের দাবদাহের শেষে,
কর্দমাক্ত রাস্তা ঘাট পায়ে ভেঙে;
কংক্রিট প্রাচীর, নিকাশি প্রণালী পেরিয়ে,
এই নিথর শহরের বুকে, স্থান হতে স্থানান্তে
জাতিস্মর মৌসুমী স্মৃতি নিয়ে
খুঁজে ফিরি চিরকাল শুধু তোমাকেই।

পিচ ঢালা পাথুরে জমি ছেড়ে;
বহুদূরে, দিগন্তে
যেখানে মাটি মেঘ সব এক হয়ে যায়।
যেখানে, বাতাসের উপর আকাশ ভাসে
শূন্যে নীল ভেলা হয়ে;
সেখানে, রামধনুর সাতরঙা জলছবি আশা,
বর্ষার সবুজ ঘাস হয়ে জন্মায়।

একতারা হাতে, গোধূলির রোদ মেখে
শেষ বিকেলে ঘরে ফেরা পাখির ডানায়;
আষাঢ়ে গল্পের আসর বসে
দূরের সন্ধ্যাতারার সাথে।

সেথায়,
ঝিঁঝিঁর ডাকে;
জোনাকির আলো মাখা ভালোবাসায়,
তোমার আমার ঘর উঠুক
ছাদের কার্নিশ ছেড়ে, মেঘেদের পাশে।

কথা দাও দিনের শেষে;
সেখানেই দেখা হবে নৈবেদ্য হাতে।
নিবিড় নৈঃশব্দে বাজবে গান
শুধু সুরের সঙ্গী হয়ে;
আর রইবে কথা
ঠোঁটের এপারে, আমাদের প্রাণ জুড়ে।

নৈঋৎ (‘দক্ষিণ-পশ্চিম’ মৌসুমী) বায়ু
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments