চর্যাপদে আমার আত্মপ্রকাশ ঘটে এই লেখাটি দিয়ে। লেখাটি প্রকাশের কয়েকদিনের মধ্যে ব্লগে কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দেয় এবং অন্যান্য বেশ কিছু লেখার সঙ্গে এই লেখাটিও অন্তর্হিত হয়। যদিও পরিচালক প্রত্যেককেই অনুরোধ করেছিলেন সেই লেখাগুলিকে আবার নির্দিষ্ট স্থানে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য, কিন্তু ব্যক্তিগত ভাবে আমার মনে হয়েছিল তৎকালীন সময় এই লেখাটি শুধুমাত্র বিষয়ের জন্যই পুনঃপ্রকাশের অনুপযুক্ত ছিল। এখনও লেখাটির কোন গুরুত্ব নেই তবে পড়ে থাকতে থাকতে আমার কাছে এর একটা অ্যান্টিক ভ্যালু তৈরি হয়েছে। খানিকটা সেই কারনে আর খানিকটা আমার আলস্যের জন্য এটাকে আবার দিনের আলো দেখার সুযোগ দিলাম।

 

হে ব্লগারবৃন্দ এবং স্নেহের পরিচালক

আমার ইউজারনেম দেখেই তোমরা বুঝতে পারছ যে আমার নাম হস্তিমূর্খ। আসলে আমার চেহারা হস্তির ঠিক উল্টো, সে কারনেই নিজেকে খানিকটা সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য এর যোগ আর নামের বাকি অংশের সঙ্গে আমার সংযোগ ক্রমশই প্রকাশ পাবে বলে আমার বিশ্বাস। আর পুরোটা মিলিয়ে যেটা হয় সেটাও সবার সামনে ধীরে ধীরে ফুটে উঠবে।

যাই হোক আমার মূর্খতা সম্বন্ধে প্রথমেই বলে রাখা ভাল যে আমার মূর্খতা কোন লঘু জিনিস নয়। শিশি বোতলের মতই শক্ত। লাঠ্যৌষধি দ্বারা দেহস্থ পঞ্চভূত প্রকম্পিত করিলে যে মূর্খতা অপগত হইয়া সুবুদ্ধির উদয় হয় এবং সেই সুবুদ্ধি যদি স্থায়ী হয়, তবে তাহা হইল লঘু মূর্খতা। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আমার ক্ষেত্রে কখনই তা হয়নি। ফলত আমার হস্তিমূর্খ নামটি সার্থক।

প্রশ্ন হল, আমি তোমাদের বিরক্ত করতে কেন এলাম? উত্তর হচ্ছে যদি ভবিষ্যতে আমার নাম নিয়ে কোনোরকম বিতর্কের সৃষ্টি হয়, তাহলে আমি সরাসরি চর্যাপদ-কে সাক্ষী মানব। কি বললে? ঠিক মূর্খ মনে হচ্ছে না? সত্যি কথা বলতে কি পাগলেও নিজের ভাল বোঝে, আর আমি তো মূর্খ মাত্র।

 

 

ঋণগ্রস্ত হলাম যেখানেঃ হ য ব র ল – সুকুমার রায়, জাবালি – পরশুরাম

পুনঃপ্রবেশ
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments