স্পর্শিয়া মৃদুমন্দ বসন্ত পবন

প্রিয়াসঙ্গে উদ্যানে পশিলেন যুধিষ্ঠির।

কিছুক্ষণ একান্তে

প্রেমালাপ সদ্য মধ্যমার্গে,

আকস্মিক কহিলা প্রিয়া

‘হে আর্যপুত্র

তৃষিতা হয়েছি আমি

ব্যবস্থা দেখ তৃষ্ণা নিবারণে।’

 

ব্যাকুল জ্যেষ্ঠ পাণ্ডব

না হেরি অন্য পথ,

দ্রুত পদে আসিলেন

সরোবর তীরে।

হেরিয়া নির্মল নীর

আনন্দে অধীর,

হেনকালে রুধিল রাস্তা

পুনরায় সে বক।

দেখি তারে কৌন্তেয়

নিবেদিল -

‘প্রেয়সী তৃষ্ণার্ত বড়

আসিয়াছি লইতে বারি

তাহার তরে।’

 

মনোবাঞ্ছা শুনিল পক্ষী,

অতঃপর কহিল-

‘আছে প্রশ্ন, উত্তর দাও,

তবে দিব অনুমতি।

কহ মোরে নূতন কি?’

 

‘তিষ্ঠ পিতঃ’

এত বলি ধর্মপুত্র

বসিয়া উপল পার্শ্বে

উচ্চারিল-

‘প্রতি মুহুর্ত, প্রতি পল

রূপ ধরে নূতনের।

কিন্তু অভিজ্ঞ মানব চরিত্র

ফলে ইহা ভ্রম মাত্র

সেহেতু নহে সর্বজনীন।

আকন্ঠ পাপে নিমজ্জিত

কলিযুগের দুর্বৃত্ত,

হইয়া স্বতঃপ্রনোদিত

কামনা করিবে তদন্ত,

অতঃপর কহিয়া দিবে

তদন্ত কর্তা কে হইবে

তাহাই নূতন’।

বক-যুধিষ্ঠির সংবাদ
  • 3.00 / 5 5
1 vote, 3.00 avg. rating (71% score)

Comments

comments