বাৎসরিক বিরক্তি ক্রমশঃ মাস, পক্ষ , সপ্তাহের পিঠে সওয়ার হয়ে খুব কাছে এসে
দৈনিক বিরক্তিরূপে দৈনন্দিন জীবনে জায়গা করে নেয় ।।
বলা বাহুল্য যে অভদ্র অতিথির মতোই ঘাড়ে চেপে বসে থাকে ,
স্বতঃস্ফূর্ত দুচ্ছাইতেও চলে যাবার কোনও নামগন্ধ থাকে না ওতে ।।
এই বিরক্তি অতিমাত্রায় গ্রাস করলে তখন তা আর ব্যাক্তিবিশেষে সীমাবদ্ধ থাকে না ,
মহামারীর আকার ধারন করে সামাজিক স্তরেও প্রকট হয়ে ওঠে ।।
ধারন ক্ষমতার অভাবে , সামাজিক জীবকুল এখানেও সামাজিকতার বিশেষ স্বাক্ষর রাখে ।।
নিজের বিরক্তিকে সযত্নে ভাগ করে নিয়ে নিজেদের বিরক্তি করে তোলে ।।
একাকী বিরক্ত হয়ে বাঁচার বিরক্তি থেকে মানুষ মুক্তি পায় এই ভেবে যে 'কেউ ভালো নেই',
সবাই একইরকম বিরক্ত ।।
দাঁড়িপাল্লায় মেপে বাঁটোয়ারা সম্ভবপর নয় বলে , কারও বিরক্তিভাব একটু কম আর কারও একটু বেশি ;
তবে মূল ব্যাপারটা একেবারে অভিন্ন , সকলেই সমরোগাক্রান্ত ( বা স্ব- মোরগাক্রান্ত)… ।।
(পুনশ্চ : মোরগ নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামালে আবার মনুষ্য-সুলভ ভদ্রতায় মড়ক লাগতে পারে , তবে বিরক্ত চিত্তে কল্পনার মোড়ক লাগিয়ে যদি ক্রিসমাসের আনন্দ পান পাঠককুল , আপত্তি নাই)

বিরক্তি বণ্টনের সামাজিকতা
  • 3.50 / 5 5
2 votes, 3.50 avg. rating (74% score)

Comments

comments