আমার নতুন অসুখটা কালই কনফার্ম করেছেন চ্যাটারজি বাবু ,

আমার ডাক্তার ।

ভায়া অরিঘ্ন , খানকয়েক  অন্যধারার আভাস দিয়ে শেষে যে জীবনটা এদিকে টার্ন নেবে ,

এই ব্যাপার টা গল্পের একখানা মোক্ষম টুইস্ট  সন্দেহ নেই  ;

আচমকা ,  তাই ভালো লাগলো খানিক , আবার ভালো লাগলোও না ,

কারণ এইবারেই বিস্তর আলোচনা হবে 

যারা চিনতো না , জানতো না  তারা আর জানবেও না ,

কিন্তু মতামত দেবে সব্বাই –  ভাববে কি দিলুম ! অমোঘ ডায়াগনোসিস !

আমার অ্যাগোরাফবিয়া  , অ্যাকিউট ।

জন্মদিন গুলোয় আর ডাকিস না  ,

ডেকে লাভ নেই , ক্ষতি তোরই ।

পরের পয়সায় কেনা শৌখিন মদও অতো বেশি খাইনা আর ।

আহা , মদ নাই বা খেলাম , তবু তো আসা যায় তাই না ?

বেশ, তবে অন্যদের ডাকিস না সেদিন , একা আমি যাব – পোষাবে ? 

বড় আলো গুলো সব নিভিয়ে দিস আমি  পৌঁছোবার আগে ।

গতমাসেই 'মিসটিক অফ হ্যালো' বইতে পড়েছি 

- আলোর ভিড়ে আলোও শব্দ করে , প্রবল ।

আমি ভিড়কে ভয় পাই , ভিড়তে ভয় পাই ।

 

আমাকে কোনও বিয়েবাড়িতে ডাকিস না প্রসূন , 

অচেনারা চেনা   আর চেনারা অচেনা হবার খেলায় আমি ক্লান্ত ।

এক্ষুনি এতো কোর্মা – কালিয়া সইবে না ।

রাস্তার যে ধারে বিয়েবাড়ি তার উলটোদিকের চায়ের 

গুমটিতে আসিস , দেখা হবে - 

বিয়ে ফুরোলে পরের বিকেলে ।  

প্রয়োজন ফুরোলে  সব ভিড় ডিফিউজ করে যাওয়াই তো ভালো !

ডিফিউজড লাইট একলা দেখতে বেশি ভালো লাগে ।

আচ্ছা , তোরও তো কাজ পড়েই যেতে পারে তাই না ?

কাজটা সেরেই নিস বরং ।

তুই  চায়ের দোকানে আসিস , ওই ওখানেই , তবে আরও  এক- দুদিন পরে ।

জানিসই তো দুজনে বসলে ছোট দোকানে তিনজন হতে সময় লাগে না 

শহরতলি – মফঃস্বলে ।

ডাক্তারবাবু কানের কাছে মুখ এনে সাপের মতো  হিসহিসে গলায় বলে গেছেন -

ওনলি সায়লেন্স ইজ নিডেড ,

সায়লেন্স ইজ দ্য ওনলি  অ্যাসিওরেন্স ফর ইউ ।

ছাড় ! ওনার কথা শুনি খানিক , হনার করি ।

ওদিনটায় বরং চা- গ্লাস নিয়ে একলা বসি আমি ।  

ব্যষ্টিপ্রিয়
  • 4.00 / 5 5
2 votes, 4.00 avg. rating (80% score)

Comments

comments