অন্ধকারের আবছা রাতে,

চাঁদ নেভানো নোংরা ‘কাশে,

দিচ্ছে হাওয়া বড্ড জোড়,

হাড় হিমানো স্থান কবর।

 

ডাকছে ফেউয়ে আর্তসুরে

বাদুড় ঢাকা আকাশ জুড়ে;

মেঘ মাখানো গাছের ফাঁকে

ঠ্যাং জড়িয়ে কেউ কি হাসে?

 

অন্ধ রাতের নিকষ কালো;

পুকুর পারে হাল্কা আলো।

সেই আঁধারে ছপছপিয়ে,

গা হিমিয়ে, দাঁত কাঁপিয়ে,

মাছের খোঁজে পুকুর মাঝে

মেছো ব্যাটা ঘাপটি মারে।

 

 

গাছ শিরীষের ডাল পাতায়;

ফিসফিসিয়ে  মামদো বেড়ায়।

দুলিয়ে শাখা, এলিয়ে চুল

শ্যাওড়া গাছে দোদুল দুল,

ভাসছে হাওয়ায় নাকি টান,

শাকচুন্নির পরান গান।

 

নীল কুয়াশার আবছায়ায়

দিচ্ছে দোলা ডালপালায়,

সেই ডালেতে ঝুলিয়ে ঠ্যাং

গেছো ভূতে চিৎপট্যাং।

 

রাতের মাঝে নিশির স্বরে,

শিরশিরিয়ে শিশির পরে,

শিশির ভেজা আলের ধারে,

কেউ কি কাঁদে হাল্কা স্বরে?

 

অন্ধকারের ঝাপসা মাঠ,

ভূতের আসর জমজমাট!

গেছো,মেছো,মাল,বেতাল

আঁধার রাতে ভূতের চাল;

হয়তো পোড়ো বাড়ির ফাঁক,

কিংবা শ্মশান অন্ধকার,

সাপ, ব্যাঙ আর ভূতের দাঁত,

মরার পাশে শবের নাচ,

আঁধার রাতের কিস্তিমাত,

কঙ্কালের ঐ লম্বা হাত।

ভূতাণ্ডব
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments