আজ বিকেলে বান্ধবীর সাথে দেখা করতে গেছি, দেখি সে নতুন একটা শাড়ি পরে এসেছে। লাজুক হেসে আমায় দেখাচ্ছিল তার শাড়ির কারুকার্য। পাড়টার ছবি নিচে দিলাম, কি সুন্দর না?

 

সে বান্ধবীর নাম মিস জর্ডন। মেমসায়েব বান্ধবী, কিন্তু শাড়িতে দিব্যি মানিয়েছে। ও মা, একবার একটু অন্যদিকে ফিরতেই দেখি শাড়ির ডিজাইন পালটে বসে আছে! এ আবার কেমন শাড়ি রে বাবা! উনি তখন সবে খেল শুরু করেছেন। মুহূর্তে মুহূর্তে পালটে যেতে লাগল সে ডিজাইন, প্রোফেসর শঙ্কুর গপ্পের মত। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকার ফাঁকেই খচাখচ করে তুলে নিলাম কয়েকটা ছবি।

এতক্ষণে হয়তো ধরে ফেলেছেন। আমার এই বান্ধবী আসলে একটি লেক। সূর্যাস্তের রঙ মেখে তার জলে যে সমস্ত অপরূপ কারুকার্য সৃষ্টি হয়েছিল তার কথাই বলছি। কখনো সূর্যাস্তের আলোয় কমলা ডুরে, কখনো বা গোলাপী কিম্বা আকাশী নীল। কখনো এক আকাশ মেঘের ফাঁক দিয়ে জলের ওপর টর্চ মেরেছেন সুয্যিমামা, আবার কখনো সেই মেঘেরাই দল বেঁধে তৈরি করেছে আরও রঙবেরঙের স্ট্রাইপ। নানা রঙে সেজে ওঠা জর্ডন লেকের ছবিগুলো নিচে দিলাম। বেশি কিই বা বলব। নিজেরাই দেখে নিন পছন্দ হয় কিনা আমার বান্ধবীর শাড়ির কাজ।

ও হ্যাঁ ছবিগুলোয় কোনো ক্যামেরা বা এডিটিং এর কারসাজি একফোঁটাও নেই। এ কথা বলা নিজের ফোটোগ্রাফির বড়াই করতে নয়, শুধু এটুকুই বোঝাবার জন্য যে প্রকৃতির হাতের কাজের কাছে বোধহয় আমরা এখনও শিশু।

 

 

 

 

 

 

 

 

** সমস্ত ছবি আমার ক্যানন পাওয়ারশট এস এক্স ৫০ এইচ এস ক্যামেরায় তোলা।

 

মিস জর্ডনের শাড়ি
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments