গবেষণাগারে ছড়িয়ে প্রচুর বোতল ;
আস্ত – ভাঙা , ভর্তি – খালি ;
কোনটা একেবারে বিক্ষিপ্ত , পরিচয়হীন ;
কারও বুকে লেগে সংক্ষিপ্ত বিশেষ সতর্কবাণী ।।
ঈশানকোণের পাল্লাভাঙ্গা আলমারিটার মাথায় রাখা
একটা বোতলে দেখি হলুদ তরল ,
বেজায় অস্থির ;
অনর্গল অজস্র বুদবুদের জন্ম-মৃত্যু হচ্ছে ওর পেটের ভিতর ।।

এ ঘরে বহুকাল পা পড়েনি কোনও দ্বিপদ বা চতুষ্পদের ;
অষ্টপদীয় ফাঁদ পেরিয়ে অশান্ত বদ্ধপাত্রের কাছে গিয়ে দেখি
বিবরন সাঁটা ;
লেখা আছে ওতে -
স্যাটানিক এক্সট্র্যাক্ট , সিন ল্যান্ড ,
জিরো- জিরো -জিরো -জিরো ;
আর খান দুই করোটির ছাপ ।।
ফুটনোটে লেখাঃ আনরেস্ট বেগিনস ইফ রিলিজড ,
ওয়ার্কস এগেইন্সট দ্য লজ অফ নেচার ।।

কৌতূহলে মাথার কর্কটা হ্যাঁচকা টানে উপড়ে নিলাম ;
নিমেষে এক সর্বগ্রাসী, তছনছ করে দেওয়া ঝড় বয়ে গেল
দেহে- মনে , গোটা ঘরে ।।

তাণ্ডব থিতু হতে দেখি ঘিরে দাঁড়িয়ে কিম্ভুত -কিমাকার প্রাণীরা
আমার চারপাশে -
কাটা খড়গ হাতে কেনিয়ার রাইনো ভ্যানিশ করে দেওয়া নির্মম জাদুকর ,
ঐরাবতের “প্রাইজড অ্যাসেট ” হাতে গুঁফো , হিংস্র চন্দন – দস্যু ,
ডোরাদার – বুটিদার বিড়ালের সংসার উজার করে দেওয়া সন্সার চাঁদ ,
ওয়েডেল সিলের থেঁতলানো মৃতদেহ নিয়ে মুগুরওয়ালা স্টিঙ্কিং ইয়াঙ্কি -

লহমায় বুঝলাম স্যাটানেরা কারা ,
বুঝে গেলাম ছিপি দিয়ে বন্ধ ছিল কেন !!

রিটার্ন অব স্যাটান
  • 3.50 / 5 5
2 votes, 3.50 avg. rating (74% score)

Comments

comments