এক যে ছিলো রাখালছেলে
সরল এবং বোকা,
গাছগাছালি, পেরজাপতি
এই নিয়ে তার থাকা।
গরু চরায়, বংশী বাজায়,
খেয়ালখুশী সুরে,
রাজার মহল অনতিদূর
সে সুর ঘোরে ফেরে।
রাজকুমারী, কি সুন্দরী
মায়ার কাজল চোখে,
বাতায়নে আসেন ছুটে
বংশীধ্বনির ডাকে।
সরল সিধে রাখালছেলে
জানে না একটুও,
গুঞ্জে কোথায় বংশীধ্বনি
ভীষণ গোপনীয়।

বংশীধ্বনি বাজতে পারে
অলক্ষ্যে নিভৃতে,
অমন কতো সুর থেমে যায়
রোজের পৃথিবীতে।
রাজকুমারী রাজার মেয়ে
মহল আকাশজোড়া।
রাজারকুমার আসবে চেপে
পক্ষীরাজের ঘোড়া।
এলেন সে এক রাজার কুমার
কান্তি দ্যুতিময়।
রাজপুরীতে নহবতের
শব্দ শোনা যায়।
পালকী চেপে শ্বশুর গৃহে
নতুন রাজবধূ,
কোথাও কি তাও বংশীধ্বনীর
সরল সুরের যাদু,
গুঞ্জে আজও, গোপন থেকে
গোপনতর কোনে।
জানলো না সে রাখাল ছেলে,
বাঁশী বাজায় বনে।

রূপকথা
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments