সারারাত দেরাজ তোলপাড় করে  খুঁজলাম

অনেককে , অনেক কিছু  !
টেনে হিঁচড়ে বের করলাম সেসব সঞ্চয় 
মগজে  যা নিরাপত্তার বুদবুদের জন্ম দিয়ে চলেছিল
নবাবি ঔরসে ।
সবকিছু ঘেঁটে ফেলার পরেও পেলাম না
যা চাইছিলাম ।
ধরে ঠুকে দিলাম দেরাজের পাল্লা , এবং ওখানেই অপরাধ হল,
ধৈর্যচ্যুতির  কোনও ক্ষমা নেই যে !
কোনও ক্ষমা হয় না ।

এক পৃথিবী অন্ধকার ফালাফালা করে অনর্গল দুলতে থাকা দেরাজের ভারী পাল্লায় 

গভীর ,  গম্ভীর কান্না-রাগ ।

ক্রমে আওয়াজ ভারী থেকে তীক্ষ্ণ হল ,
 বাতাস কেটে যাওয়া তলোয়ারের  শব্দ এল কানে ।
পাল্লার  কপাট  বহুকাল পরে নড়েচড়ে উঠে শোনাল স্লেট পাথর আঁচড়ানোর
 অকপট অতিজান্তব ধ্বনি ।
 
স্নায়ু ফেটে  রক্ত গড়িয়ে পড়ার অনুভবে  ঘুম ভেঙে গেল ।
অসময়ে জেগে উঠলাম আমি ,
ভোরের অনেক আগেই জেগে উঠে  কিছুই  করার ছিল না ,
কিছু বলার ছিল না কাউকে ,
পৃথিবী তখন সত্যি হবার স্বপ্ন লোভে বিভোর ,
জানো না কি ভোরের স্বপ্ন সবই সত্যি হয় ?
 
 আমি তখন নেহাতই গ্রহান্তরের মানুষ ,
গ্রহান্তরের ভাষা কে-ই বা বোঝে !
 
 
 
 
 
শব্দাহত (স্বপ্নাহত)
  • 5.00 / 5 5
1 vote, 5.00 avg. rating (91% score)

Comments

comments