আনন্দ – ফুত্তির এক বিস্ময়কর বিস্ফোরণে 

ছিটকে গিয়েও  নিজেকে সাম্লে নিতে হল ,

কারণ  - ব্যাপারটা ধরে রাখতে হবে তো নাকি ? 

নাহ ,  অন আ সিরিয়াস নোট  - 

ব্যালান্স হারিয়ে ঠিক  যেখানে পড়ে গিয়ে কয়েক মিনিট

সেঁটে যাবার কথা ছিল , সেখানেই ঘটনাচক্রে পারমিতার ঠোঁট ;

অথবা হয়তো এর উল্টোটা ।  

জানি এবারে সেয়ানা বলবে বা তিলে খচ্চর ,

যেমন বলে থাক আর কি !

 

এই ফাঁকে লেথাল সেন্স অফ হিউমর টা মিস করে যাবে ,

আর আমি বুঝে নেব একটা মানুষী নয়,

গোটা একটা প্রজাতির নাম হল পারমিতা ।

হিউমরের কোনও কোচিং ক্লাস নেই , কেন জানো ?

ক্লাসি জিনিস ক্লাসে গিয়ে ঘেতিয়ে শেখা যায় না বলে ।

ঠোঁট কাছে এলো মানেই এবার চুমু খাবে ,

এসব ফুল কলিকালের কেলো হিন্দি সিনেমা ।

কলিকালের ভাগ্যহীন  বিকেলে  শেখর নামের কোনও এক সুমন মাইরি কিছু কুমন ধার দিয়েছিল বটে !

কিন্তু গুরু কেচ্ছা থাকলেই বা  ,  সব সুমন কি আর প্রফেট হয় ? 

সেও পারে নি , জাস্ট কিচ্ছু পারলো না , তবুও  হাসে কারণ  হাসি পায় । 

মিড – লং মিড শটের সিরিয়ালে কুড়ি বাই দশ খাঁচায় আটকে রয়ে গেল মাকাল ;

আর ফেলে যাওয়া রিলে রেসের বাকিটা টানল হাসিমুখো হাশমি ।

টিউলিপ ফুলে  তাকালে এখন বেজায় কষ্ট হয় । 

এমনি  ঘ্যানঘেনে , কুচ্ছিত পাতি মাছিও যে ডেকে এনে বসাবে 

তেমন নেকটার ও পড়ে নেই ।

সাফ- সুতরো সব কাটোরা ।

কারণ অফার ছিল ডাবর হানি ডাবল মজা । 

মজা হয়েছেও দুরন্ত । 

এই তোমার সাথে দাঁড়িয়ে যতোক্ষণ বাজে বকছি , 

ততোক্ষণ ধরে সার্ভে করে নিচ্ছি প্রোফাইল -

পারমিতা এদিকেই দেখছে , দেখে কি বুঝল কে জানে ! 

হ্যাশ ট্যাগ বিরক্ত  ও বিস্মিত  তা   বেশ বুঝছি  ।

 

এবারে বুঝলে তো – দো বুন্দ জিন্দগী  কি?

ধুর , ওসব না -

মাত্তর দু ফোঁটা , সে তো জিভের জন্যে , সর্দিকাশি তে রাস টাক্স  

অগত্যা  ?  দো বুন্দ অউর  !

এভাবে চালু রহো , যতক্ষণ না ভরে যাচ্ছে বাদুরে রঙের দেড় ভরির শিশি ।

হ্যাঁ অতখানিই লাগবে, এসে নিয়ে যাবো , হলে ডেকো ।

চলি , ওদিকে  প্রাইমারী কাজের কাজ পড়ে আছে ,

প্রাইমার লাগাবার । 

 

 

শীতকাল হেসে গেছে
  • 4.00 / 5 5
2 votes, 4.00 avg. rating (80% score)

Comments

comments