১১. সোশাল নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে পোস্ট লাইক এবং শেয়ার করা

কোনও লেখা ভাল লাগলে সেটা ফেসবুকে লাইক করতে পারেন অথবা বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্কিং-এ শেয়ার করতে পারেন। লাইক করার অপশন পোস্টের উপর দিকে এবং শেয়ারের অপশন পোস্টের তলায় পাবেন। নিজের বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নিজের লেখাও শেয়ার করতে পারেন এই পদ্ধতি ব্যবহার করে।

১২. আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিন

প্রত্যেক ইউসারকে অনুরোধ করা হচ্ছে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিতে। সাইট সম্পর্কিত নিত্যনতুন ঘোষণা ওখানে করা হবে।তাছাড়া সাইট সম্পর্কে আপনার কোনো সমস্যা হলে বা কোনো সাজেশন দেওয়ার থাকলে ওখানে দিতে পারবেন।

১৩. আমাদের ফেসবুক পেজ এবং রিসেন্ট পোস্টগুলি দেখুন

হোম পেজে বাঁ দিকে একটি ফেসবুকের আইকন দেখতে পাবেন। ওটায় ক্লিক করলে একটি স্লাইডারের মধ্যে চর্যাপদের ফেসবুক পেজটি পাবেন। এই পেজটি লাইক করলে চর্যাপদে নতুন পোস্ট হলে তার আপডেট আপনার ফেসবুকে নোটিফিকেশন হিসেবে আসবে। এছাড়াও এই আইকনে ক্লিক করে এবং তারপর স্ক্রোল করে আপনি রিসেন্ট পোস্টগুলি সমস্ত দেখতে পাবেন, এর জন্য আপনাকে চর্যাপদের মধ্যে থেকে বিভিন্ন পেজ ব্রাউজ করতে হবেনা।

১৪. এডিটর ব্যবহার করার বেসিক নিয়ম

নতুন পোস্ট করতে গেলে বা পুরোনো পোস্ট এডিট করতে গেলে আপনাকে চর্যাপদের এডিটর ব্যবহার করতে হবে। এডিটরে দুরকম মোডে লেখা যায়। "দৃশ্যমান" বা "এইচটিএমএল" (এডিটরের ডানদিকে উপরে অপশনগুলি পাবেন)। দৃশ্যমান মোডেই বেশিরভাগ কাজ হবে। সাধারণ টাইপ করতে হলে বা অন্য কোনও এডিটর থেকে কপি পেস্ট করতে হলে এই মোডেই করুন। উপরে বিভিন্ন রকম রিচ টেক্সট অপশন পাবেন। ফুল স্ক্রিনে কাজ করার অপশনও আছে। দৃশ্যমান মোডে আপনি যেরকম দেখছেন আপনার পোস্ট ঠিক সেরকম দেখতে হবে। আর এইচটিএমএল মোডে আপনার লেখার এইচটিএমএল কোডটি থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে এটি ব্যবহার করুন। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে অন্য কোনো ব্লগ থেকে আপনার লেখা ইম্পোর্ট করতে হলে সেখান থেকে এইচটিএমএল কোডটি এখানের এইচটিএমএল মোডে পেস্ট করে দিন। এছাড়া ব্লগের মধ্যে কোনো লিঙ্ক সরাসরি না দিয়ে এইচটিএমএল ব্যবহার করে হাইপারলিঙ্ক করে দেওয়া কাম্য (বিশদ জানতে ২০ নম্বর দেখুন)।

লেখা শেষ হলে পোস্ট করার জন্য ডানদিকের "প্রকাশ করুন" বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে।

১৫. ড্রাফট সেভ করা এবং লেখার প্রিভিউ দেখা

লিখতে লিখতে ড্রাফট সেভ করতে হলে ডানদিকের "খসড়া সংরক্ষণ করুন" অপশনটি ব্যবহার করবেন। ড্রাফট সেভ হলে ডানদিকের "পূর্বরূপ" অপশনে ক্লিক করে লেখার প্রিভিউ দেখতে পারেন। বিশেষ করে লেখার মধ্যে কিছু ছবি থাকলে এটা খুব কাজে দেয়।

১৬. পোস্টের ফন্ট সেটিং

সাইটের ইউনিফর্মিটির জন্য পোস্টের ফন্ট সেটিং সব পোস্টে একই রকম রাখা কাম্য। তাই বিশেষ দরকার না হলে ফন্ট সেটিং (অর্থাৎ ফন্ট সাইজ ইত্যাদি) না পাল্টানোই ভাল। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ওয়ার্ড বা ওই জাতীয় কোনো এডিটর থেকে আপনার লেখা কপি পেস্ট করতে হলে সাধারণভাবে পেস্ট না করে এডিটরের "পেস্ট অ্যাস প্লেইন টেক্সট" বা "পেস্ট ফ্রম ওয়ার্ড" অপশন ব্যবহার করে পেস্ট করুন। নইলে ওয়ার্ডের ফন্ট সেটিং এখানে চলে আসবে। একই কাজ করার আরেকটি উপায় হল ওয়ার্ড থেকে প্রথমে নোটপ্যাডে পেস্ট করে আবার সেখান থেকে চর্যাপদের এডিটরে পেস্ট করা।

১৭. পোস্টের বিভাগ কিভাবে স্থির করবেন

পোস্ট করার সময় ডানদিকে বিভাগ স্থির করার অপশন পাবেন। গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদি অনেক রকম বিভাগ পাবেন। একটু গুরুত্ব দিয়ে সঠিক বিভাগ বেছে নিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। নইলে পরে আর্কাইভ থেকে লেখা খুঁজে পেতে ইউসারদেরই সমস্যা হবে। একই সঙ্গে একটি লেখা দুই বা ততোধিক বিভাগের উপযুক্ত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ অনেক লেখার জন্যই "সমকাল" এবং "প্রবন্ধ" দুটি বিভাগই উপযুক্ত। সেক্ষেত্রে দুটি বিভাগেই টিক দিন।চেষ্টা করুন "অনির্দিষ্ট" বিভাগটি ব্যবহার না করতে। যদি মনে হয় কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এই লিস্টে নেই তাহলে আমাদের জানাতে পারেন, উপযুক্ত মনে হলে আমরা সেটি লিস্টে নিয়ে আসব।
আপনি পাঠক হিসেবে কোনো বিশেষ বিভাগের লেখা পড়তে চাইলে ডানদিকের সাইডবারে বিভাগের লিস্টের মধ্যে থেকে বেছে নিন।

১৮. পোস্টের ট্যাগ

বিভাগ ছাড়াও আপনার পোস্টে ট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। তবে এটি আবশ্যক নয়। উপযুক্ত ট্যাগ ভেবে না পেলে ট্যাগ না দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। ট্যাগ দেওয়ার কারণও লেখাগুলিকে বিভিন্ন বিষয় অনুযায়ী সাজিয়ে রাখা। দয়া করে নিজের নাম বা লেখার নাম এখানে দেবেননা। ট্যাগ হতে পারে কোনো বিষয়ের নাম যেগুলি বিভাগের লিস্টে নেই, যেমন "অভিজ্ঞতা", “খেলাধূলা", “কৌতুক", "ভ্রমণ" ইত্যাদি; অথবা ওই বিভাগগুলিরই কোন উপবিভাগ, যেমন "গোয়েন্দাগল্প", “বড়গল্প", “প্রেমের কবিতা" ইত্যাদি।একসাথে অনেকগুলি ট্যাগও দেওয়া যায়।
মনে রাখবেন আপনি যে শব্দটি ট্যাগ হিসেবে দিতে চান সেটি ইতিমধ্যেই বিভাগের লিস্টে থাকতে পারে। যদি সেই শব্দটি বিভাগের মধ্যে থাকে তাহলে ট্যাগে না দিয়ে বিভাগ থেকেই বাছুন। 
পুরোনো ট্যাগের মধ্যে থেকে বাছার একটি অপশন আছে। যদি আপনার পছন্দের ট্যাগের মতই (হয়তো সামান্য আলাদা) কিছু ট্যাগ ইতিমধ্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তাহলে দয়া করে আগের সেই ট্যাগটিই বাছুন।উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে হয়তো আগে কেউ "খেলাধূলা" ট্যাগটি ব্যবহার করেছেন। আপনি কোনো পোস্ট করতে গিয়ে ট্যাগ দিলেন "খেলা"। সেটা না করে আগে ব্যবহৃত "খেলাধূলা" ট্যাগটিই দিন।

আপনি পাঠক হিসেবে কোনো বিশেষ ট্যাগের লেখা পড়তে চাইলে বাঁদিকের সাইডবারের ট্যাগে ক্লাউড থেকে বেছে নিন।

১৯. পোস্টের মধ্যে ইমেজ কিভাবে দেবেন

ইমেজ দেওয়ার অনেক রকম পদ্ধতি আছে। তার মধ্যে সেরা পদ্ধতি হল এডিটরের রিচ টেক্সট অপশনগুলির দ্বিতীয় লাইনের ইমেজ অপশনটি ব্যবহার করা। যে ছবিটি দিতে চান আগে সেটি ওয়েবে কোথাও আপ্লোড করুন। ফোটোবাকেট, পিকাসা বা ফ্লিকার সেরা উপায়। অবশ্যই সেখানে ছবিটি পাব্লিক শেয়ার করবেন, রেস্ট্রিক্টেড রাখবেন না। এরপর এই ইমেজ অপশনে আপনার আপ্লোড করা ছবিটির ইউআরএল টি দিয়ে দিন। দেখবেন ম্যাজিকের মত ছবিটি আপনার ব্লগে চলে এসেছে। ওই ইমেজ অপশনের মধ্যে ছবির উইডথ পাল্টানো সহ অন্যান্য অপশন পাবেন। ছবিটি রাইট বা লেফট অ্যালাইন করে ছবির পাশে লেখাও রাখতে পারেন। ছবিটি সেন্টার অ্যালাইন করতে হলে ইমেজের মধ্যে "অ্যাডভান্সড" এ গিয়ে "স্টাইলশীট ক্লাসেস" ফিল্ডে "aligncenter” কথাটি লিখে দিন।  "Vspace” বা "Hspace”  অপশন ব্যবহার করে ছবির উপরে বা বাঁদিকে প্রয়োজনমত স্পেস দিতে পারেন।

২০. কোনো লিঙ্ককে এইচটিএমএল করে দেবেন কিভাবে

সহজতম উপায়টি হল এইরকম -
 <a href = “আপনার লিঙ্ক এখানে দিন">যে লেখার সঙ্গে হাইপারলিঙ্ক করতে চান সেটি এখানে দিন </a>
উদাহরণ -
<a href = “www.google.com">গুগল </a>
 এইচটিএমএল মোডে উপরের মত লিখলে সেটি এরকম দেখাবে -  গুগল

এবং ঠিক এরকমভাবেই "গুগল" কথাটির উপর ক্লিক করলে www.google.com এ চলে যেতে পারবেন। আর যদি নিচের মত লেখেন
<a href = “www.google.com" target= “_blank”>গুগল </a>
তাহলে "গুগল" কথাটির উপর ক্লিক করলে পেজটি নতুন ট্যাবে খুলবে। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করাই ভাল। আরও জানতে হলে নেটে সার্চ করুন।

1 2 3