নাম দেখে অনেকে হয়তো ভাবছেন আমি রন্ধনপটু, এবং এই লেখা পড়ে আপনারাও রন্ধনপটু হয়ে যাবেন। সম্পূর্ণ ভুল! এই লেখার বিষয়বস্তু হল আমার রন্ধনপটু হবার চেষ্টা এবং তাতে অদৃষ্টের বাধাদানের অসীম উৎসাহের গপ্প।
রান্নার রেসিপি তো ইন্টারনেতে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন, সেইসব রেসিপি আমার রেসিপির থেকে অনেক নিখুঁত হবে, কাজেই কেবল ওইসব লেখার জন্য ব্লগ লেখার কোনো কারণ আমার নেই। এককালে নতুন রান্নার সন্ধান করতে করতে পাওয়া কিছু রেসিপি দিয়েছিলাম, সেই লেখা পড়ে তনুশ্রী দি, প্রবাসীরা বলেছিল রান্নার কেচ্ছাগুলো ওদের বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। যদিও এই লেখা ওদের নজরে পড়বে কিনা জানিনা, তবু সেই কেচ্ছাকাহিনীগুলোই সবার সাথে শেয়ার করার জন্য আজকের এই লেখা। শেষের দিকে নাহয় ফ্রী হিসেবে একটা দুটো রান্নার কথা বলা যাবে।
নিজে রান্না করব কোনদিন এরকম দুঃসাহসিক চিন্তাভাবনা মাথায় আসেনি। চিরকাল মা রেঁধেছে, আমি খেয়েছি, আরও খেয়েছি, এবং প্রভূতভাবে খেয়েছি। প্রথম যেদিন উপলব্ধি করলাম একটা বিশাল বড় রান্নাঘরে আমায় একা একা যুদ্ধ করতে হবে, হৃদকম্প না হলেও রোমাঞ্চে গায়ের লোম খাড়া হয়েছিল এ কথা অস্বীকার করতে পারবনা। রীতিমত সাহস সঞ্চয় করেই এবং "জয় মা কালী" টাইপের কিছু একটা বলেই মাঠে নেমেছিলাম। হাতে গ্লাভস এবং চোখে সানগ্লাস পরে। দৃশ্যটা খুব হাস্যকর মানছি, কিন্তু যে জিন্দেগীতে কখনো এইসবের ধারে কাছে যায়নি তার মানসিক অবস্থাটা কল্পনা করে নাহয় হাসিটা একটু সংবরণই করলেন। মনে আছে ছোটবেলার প্রেসার কুকারের সিটি আমার কাছে ছিল বিভীষিকার মত। মা মাঝে মাঝে ভাত বসিয়ে অন্য কাজ করতে করতে আমায় বলত "প্রেসারের দ্বিতীয় সিটিটা বাজলে একটু নিভিয়ে দিস তো!" আর আমি দেহটা কে যতটা দূরে রাখা সম্ভব সেইভাবে দাঁড়িয়ে লম্বা হাত বাড়িয়ে মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে কোনরকমে গ্যাসের নবটা বন্ধ করেই দৌড় দিতাম। এরকমও কয়েকবার হয়েছে যে নব ঘোরানোর আগের মুহূর্তেই প্রেসার আবার ফোঁস করে উঠেছে আর আমি ছিটকে সরে এসেছি এবং মা-কে এসে কাঁচুমাচুভাবে নিজের ব্যর্থতার কথা জানিয়েছি।স্বভাবতই রান্নার পাত্র থেকে নির্গত ফোঁস বা গরম তেলে মাছ দেওয়ার শব্দ আমার কাছে খুব সুখশ্রাব্য ছিলনা।
যাই হোক নিজের সাহসের অভাবের কথা বুক বাজিয়ে না বলে ফিরে আসা যাক প্রথম রান্না করার দিনটিতে। প্রথম রান্নাটা ছিল ডিমের একটা প্রিপারেশন। এটার কথা আগের ব্লগে বলেছিলাম। সেটা খেতে ভাল হওয়ায় উৎসাহ পেয়ে যাই। আরও নানারকম জিনিস ট্রাই করার কথা মাথায় কিলবিল করতে থাকে। বেদানা দিয়ে পোলাও করলে কেমন হয় বা ফোড়নে পেঁয়াজকুচির বদলে সেলেরি দিলে কেমন লাগবে এইসব বদবুদ্ধি মাথায় আসতে থাকে। কিন্তু মুশকিল হল যাকে বলে কন্সেপ্ট, রান্নার ব্যাপারে সেই জিনিসটা তখন আদৌ তৈরি হয়নি। অথচ কাছেপিঠে এমন কেউ নেই যার সাহায্যে সেটা ডেভেলপ করা চলে। আমার রুমমেট এসব ব্যাপারে আমার চেয়ে আরও অজ্ঞ। আর ওর রান্নায় বিশেষ উৎসাহও ছিলনা। অগত্যা চলতে থাকে আমার ট্রায়াল অ্যাণ্ড এরর মেথড।
এটা খুব স্বাভাবিক যে শুরুর দিকে বেশিরভাগ ট্রায়ালেই কিছু না কিছু এরর ঘটবে। প্রথম যে কেচ্ছাটা ঘটল সেটা ভাত গরম করতে গিয়ে। আগের দিন রাত্রের করা ভাত ফ্রিজ থেকে বার করে গরম করব। বাড়ি থেকে একটা মাইক্রোওয়েভেব্ল প্লাস্টিকের থালা এনেছিলাম। ভাবলুম মাইক্রোওভেনে যখন ঢোকানো যায় তখন ওভেনে ঢোকানোও নিশ্চয়ই যাবে। গরম করতে দিয়ে দু-মিনিট পর খুলে দেখি ওভেনের র‍্যাকের ওপর থালার মধ্যাংশটি সেঁটে গিয়েছে আর চারপাশ দিয়ে স্ট্যালাকটাইটের মত ঝুলে রয়েছে গলিত প্লাস্টিক… ফোঁটা ফোঁটা গলিত প্লাস্টিক ওভেনের মেঝেতেও সুন্দর মোসাইকের সৃষ্টি করেছে। থালা তো মায়ের ভোগে আগেই গেছে, আমার বাড়ির ওভেনটা অন্তত যাতে সেই সর্বগ্রাসী মায়ের হাত থেকে রক্ষা পায় সেই ব্যবস্থা করতে আমায় পায়ের ঘাম মাথায় অব্ধি ফেলতে হয়েছিল। ওভেনের র‍্যাকগুলো বাইরে বার করে আনা মাত্র প্লাস্টিক বাবাজিরা আবার জমে শক্ত হয়ে গেলেন। সেই প্লাস্টিক এবং ওভেন র‍্যাকের বিচ্ছেদ ঘটানোর জন্য স্ক্রু-ড্রাইভার এবং হাতুড়ি সহযোগে আধ ঘন্টা যুদ্ধ করেছিলাম। সেই ঐতিহাসিক থালার অবশিষ্টাংশের একটা ছবি এখানে দেওয়া গেল।

এরপর কয়েকদিন শান্তি। তারপর হঠাৎ একদিন রান্না করতে করতে ঠঙ্গাঠং শব্দে কি যেন বেজে উঠল। বুঝলাম এরেই কয় স্মোক অ্যালার্ম। একটু পোড়া গন্ধ নাকে গেছে কি যায়নি, উনি পাড়া শুদ্ধু মাথায় তুললেন। এখন কিকরে ওকে থামাই? বেশিক্ষণ এইসব চলতে থাকলে শিগগিরই কেউ ৯১১ কল করবে এবং ততোধিক জোরে ঠঙ্গাঠং আওয়াজ করে ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি এসে হাজির হবে। কমন সেন্সের সঠিক প্রয়োগ করে রান্নাঘরের ধোঁওয়াকে স্মোক অ্যালার্মের দিকে যেতে বাধা দেওয়া গেল এবং ওকে শান্ত করা গেল। এরপর কতবার যে ওকে বাজিয়েছি সে গুনে শেষ করা যাবেনা। বরং অনেকদিন না বাজলেই কেমন যেন অস্বস্তি হয়, কি ব্যাপার আজ একমাস হয়ে গেল একবারও স্মোক অ্যালার্ম বাজল না? যন্ত্রটা খারাপ হয়নি তো?

এই প্রসঙ্গে বলি স্মোক অ্যালার্মের ব্যাটারি শেষ হলে এক ভয়ঙ্কর রকমের বীপ আওয়াজ হয়। সে আওয়াজের মধ্যে কেউ যদি ঘুমোতে পারেন তাকে আমি পুরস্কৃত করতে রাজি আছি। উফফ! সে কি বিদিকিচ্ছিরি শব্দ। প্রথমবার যখন হল তখন আমি ঘুমোচ্ছিলাম। ঘুম ভেঙ্গে দৌড়ে এসে বোতাম টেপাটিপি করলাম, কিস্যু হলনা। তারপরে মরিয়া হয়ে যন্তরটাকে খুলে নিলাম দেওয়ালের ইলেক্ট্রিক কানেকশন থেকে। ও মা, এ যে দেখি খুলে নেওয়ার পরও বাজে! কি ভূতুড়ে ব্যাপার! শেষমেশ ওকে একটা বালিশের তলায় চাপা দিয়ে ওর কণ্ঠরোধ করে আমি পাশের ঘরে বিনা বালিশে ঘুমুলাম।

এই ঘটনার দুদিন পর, আমি তেল গরম করতে দিয়ে একটা ফোন সেরে নিচ্ছিলাম। ফোন কানে পাশের ঘরে চলে গেছি কথা বলতে বলতে, খেয়ালই নেই তেল গরমের কথা। একটু পর রান্নাঘরে ঢুকে দেখি দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে পাত্রটার উপর। স্মোক অ্যালার্ম তখন দেওয়াল থেকে উৎপাটিত, কাজেই সে জানান দেয়নি। আগুন প্রায় ছাদ ছুঁই ছুঁই (সে সময় আমি বেশ অনেকখানি তেলে রান্না করতাম)। কোনও রকমে হাত বাড়িয়ে ওভেনের নবটা বন্ধ করা গেল। কিন্তু আগুন কমার কোনও লক্ষণই নেই, বরং তার উচ্চতা আরও বেড়ে চলল। এইবারে আমি একটু ঘাবড়ে গেলাম। আমাদের এখানের বাড়িটা পুরো কাঠের তৈরি। আর মেঝেতে পাতা উলের কার্পেট। একবার কোথাও আগুন ধরলে আর রক্ষে নেই। ওই জ্বলন্ত আগুন সহ পাত্রটা ওভেন থেকে তুলে নিলাম সিঙ্কে নামাব ভেবে।পাত্রের হ্যাণ্ডেলটা তাপনিরোধক, কিন্তু অতটা তাপও নিরোধন করার ক্ষমতা তার ছিলনা। অর্ধেক পথ নিয়ে যেতেই হাত পুড়ে যাওয়ার জোগাড়। আর না পেরে পাত্রটা আমি রান্নাঘরের মেঝেয় নামিয়ে দি এবং বাথরুম থেকে এক বালতি জল এনে আগুন নেভাই। কিন্তু ওই গরম পাত্রের ছ্যাঁকায় আমাদের রান্নাঘরের ভিনাইলের মেঝে কালো হয়ে পুড়ে গেছিল। সেই দাগ আজও আছে। পাত্রটারও বারোটা বেজে গেছিল সে কথা বলাই বাহুল্য।

পরে আরও দুবার এরকম তেলে আগুন ধরিয়েছিলাম। তবে সেগুলোতে তেলের পরিমাণ কম হওয়ায় নেভাতে কষ্ট হয়নি। এবার বলি আমার প্রিয় বিলাসিতা পাত্র পোড়ানোর একটি দুটি ঘটনা। আমার বেশ কিছু ননস্টিক সসপ্যান ধরনের পাত্র ছিল। তারই একটায় ডিম সিদ্ধ করতে বসিয়ে পাশের ঘরে গিয়ে বন্ধুর সাথে চ্যাটে মেতেছি। অনেকক্ষণ কর ফট করে একটা আওয়াজ শুনে মনে পড়ল আরে! ডিম সিদ্ধ বসানো ছিল তো! ব্যাপার কিছুই না, জল পুরোপুরি শুকিয়ে ফাঁকা পাত্রে ডিম কিছুক্ষণ শুকনো খোলায় ভাজা হয়েছে। তারপর আর থাকতে না পেরে সে ফট শব্দে বার্স্ট করেছে। সে ডিম আর খাওয়া যায়নি সেটা বলাই বাহুল্য, পাত্রটারও ননস্টিক মেটিরিয়াল উঠে গিয়ে সেটা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে যায়। আরেকবার একই কাজ করেছিলাম, তবে সেবার স্মোক অ্যালার্মের সচেতনতা আমার আরও একটি পাত্রকে গঙ্গাযাত্রার হাত থেকে বাঁচায়।

এরকম আরও প্রচুর কেচ্ছাকাহিনী রয়েছে যার সব বলতে গেলে দিন কাবার হয়ে যাবে। প্রেশারের গ্যাসকেট ঠিক মত না লাগিয়ে ছোলার ডালকে একদলা কালো কার্বনের মণ্ড বানিয়ে ফেলা, প্লাস্টিকের হাতা ভুল করে ওভেনের উপর রেখে গলিয়ে ফেলা, হ্যাবানেরো লঙ্কা (বিশ্বের তৃতীয় ঝালতম লঙ্কা) কে ক্যাপ্সিকামের মত চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করা, বা মাইক্রোওভেনে দুধ গরম করতে দিয়ে সেই দুধ উথলে সারা মাইক্রোওভেন ভাসিয়ে দেওয়া… অসংখ্যবার রান্না বসিয়ে ভুলে গিয়ে সেগুলোকে পোড়ানো তো আছেই। সেসব লিস্টি করতে বসে লাভ নেই। তবে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল এই যে রান্নার উপাদানঘটিত দুর্ঘটনা সেরকম বেশি কিছু করিনি, তাই ভাল ভাল খাবার খাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে হয়নি নিজেকে। এটাই যা সান্ত্বনা।

এই আনন্দে এবার সফলভাবে রান্না করা কিছু ডিশের কথা আপনাদের বলি। সবগুলোই নিরামিষ। কোনও রেসিপির পিছনেই আমার কোনও মৌলিকত্ব নেই, এদিক ওদিক থেকে শেখা সবগুলোই। তবে সবগুলোই আমার অত্যন্ত প্রিয় রান্না। আশা করি আপনাদেরও পছন্দ হবে।

প্রথম রান্নার নাম মেথি বেগুন। এটার কথা অনেকেই শুনে থাকবেন। কিন্তু এটা নিখুঁতভাবে বানাতে আমি খুব বেশিজনকে দেখিনি। এই রান্নাটা করার মূল উপাদান হল মেথি মশলা। মশলাটা আগে থেকে বানিয়ে রাখতে পারলেই কেল্লা ফতে। মশলাটা বানানোর জন্য শুকনো খোলায় বিউলির ডাল, মেথি, ধনে, শুকনো লঙ্কা ৪:১:১:১ অনুপাতে নিয়ে আর কিছু কারি পাতা দিয়ে ভাজতে হবে। সেইসঙ্গে সামান্য হিংও দেওয়া যেতে পারে। ভাজা হলে মশলা গুঁড়িয়ে রাখতে হবে। ব্যাস, মেথি মশলা তৈরি। এবার তেলে ফোড়ন দিন মেথি, বিউলির ডাল এবং কারি পাতা। তার মধ্যে একটা বড় বেগুন ফালি ফালি করে কেটে ভাজুন। আমি অবশ্য বেগুনটা আলাদা ভেজে রাখি আগে থেকে। এরপর দেবেন হলুদ, প্রয়োজন মত নুন, ঝাল আর একটু তেঁতুল। রান্না শেষ হওয়ার মুখে তিন চামচ মত মেথি মশলা দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে দিন এবং আরও ১০ মিনিট অল্প আঁচে বসিয়ে রাখুন। রান্নাটা মাখা মাখা হবে। ভাত বা রুটি দুটোর সাথেই অসাধারণ লাগে।

দ্বিতীয় রান্না হল ফুলকপির ঝাল। এটাও বহু প্রচলিত এবং খুব সহজ। কালোজিরে এবং কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিয়ে তার মধ্যে ফুলকপিটা ভাজতে থাকুন। হলুদ দিতে হবে এই সময়। কিছুটা সরষে কাঁচালঙ্কা সহ বেটে নুন দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ। ফুলকপি একটু নরম হয়ে এলে সরষেবাটা টা দিয়ে দিন এবং অল্প আঁচে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ বসিয়ে রাখুন। অতিরিক্ত জল দেওয়ার দরকার নেই। ওই সরষেবাটার জলেই মাখামাখা রান্নাটা তৈরি হবে। কপিটা ভাপে ঠিকমত সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন। ইচ্ছে হলে একটু নারকেল কোরা দিতে পারেন রান্না শেষ হওয়ার একটু আগে।

সবশেষে বলি আমার খুব প্রিয় একটা রান্নার কথা। প্রিয় হওয়ার অন্যতম কারণ এটা খুব সহজে করা খুব স্বাদু রান্নার একটা। পনীরের ভুজিয়া। তেলে বেশ কিছুটা পেঁয়াজ কুচি আর আদাকুচি ভালো করে ভাজুন। এরপর চৌকো করে কেটে রাখা ক্যাপ্সিকাম আর কুচো টমেটো দিয়ে নাড়তে হবে। ঝালের জন্য কাঁচালঙ্কাও দেবেন। এরপর পনীরটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ ভাজা ভাজা করতে হবে। পনীর কিউব করে কাটার দরকার নেই, ভেঙ্গে ভেঙ্গে দিলেই হবে, কারণ নেড়ে নেড়ে পনীরটা ঝুরো ঝুরো করে দেওয়াই এই রান্নার উদ্দেশ্য। তবে পনীর খুব বেশি ভাজলে শক্ত হয়ে যায়, তাই সেটা না করাই ভাল। অল্প নেড়ে নামিয়ে নিন। ইতিমধ্যে নুন, চিনি পরিমাণ মত দিয়েছেন নিশ্চয়ই। চিনিটা একটু বেশি করে দিতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে মিষ্টি মিষ্টি পনীরের ভুজিয়া উপভোগ করুন।

আজ এই পর্যন্তই থাক। রান্না কেমন লাগল জানাতে ভুলবেন না। ও হ্যাঁ, গুরুত্বপূর্ণ কথা… রান্না সাবধানে করবেন দাদা দিদিরা… কে বলতে পারে আমি রান্নাগুলো শিখিয়েছি শুনে হয়তো অদৃষ্ট দেবতা আবার আপনাদের সঙ্গে জোকিং করতে শুরু করে দিলেন। :)

 

রন্ধনপটুতার ইতিবৃত্ত
  • 4.00 / 5 5
1 vote, 4.00 avg. rating (81% score)

Comments

comments