গাড়ির ভেতরের হিমঘর
মর্গের থেকেও ঠান্ডা।
আনন্দ, দুঃখ, কোলাহল
কাঁচে ধাক্কা, ফিরে যায় উৎসমুখে…

এ এক অদ্ভুত মায়াবী স্বেচ্ছা নির্বাসন।

ট্রাফিক সিগন্যালের হিজড়ে কমলা,
পা-নেই-নন্দলাল,
গোলাপের তোড়া হাতে রাইকিশোরী,
দৃশ্য থেকে দৃশ‍্যান্তর;
বোকা-বাক্সে বসে বোবা-সিনেমা
দেখি, দেখতে থাকি
দেখেও দেখি না..

ওপারে রোদ ওঠে, বৃষ্টি নামে
মন-কেমনের হাওয়া দেয়

বিকেল-মেঘ ছুঁয়ে যায়
নীললোহিতের ক্লান্ত বিষণ্ণ চোখ,

পথ-মা বুকে তোলে পথশিশুদের
উড়ে পড়া শিউলিগুলো
কবিতা আঁকে, মুগ্ধতায়

আকাশের লাল মেখে হঠাৎ
হেসে ওঠে পাগলা জগাই

রাস্তা পার হতে গিয়ে সিগন্যাল হারায়
আশি পেরনো অমলকান্তি…

কতকিছু হয়ে চলে,
বয়ে চলে জানালার গা ঘেঁষে…
এপাশে সময় থমকে এক জায়গায়,
নির্লিপ্ত, নিষ্ঠুর – আঁধার এক!

চিমটি কেটে দেখতে ইচ্ছে করে…

মরে, ঠাণ্ডা হয়ে যাইনি তো?!

হিমঘরে একা
  • 0.00 / 5 5
0 votes, 0.00 avg. rating (0% score)

Comments

comments