অনুকাব্য
ভিক্ষুবেশে দ্বারে তার ‘দাও’ বলি দাঁড়ালে দেবতা মানুষ সহসা পায় আপনার ঐশ্বর্যবারতা। বিস্তারিত
অসীম আকাশ শূন্য প্রসারি রাখে, হোথায় পৃথিবী মনে মনে তার অমরার ছবি আঁকে। বিস্তারিত
ফুলগুলি যেন কথা, পাতাগুলি যেন চারি দিকে তার পুঞ্জিত নীরবতা। বিস্তারিত
পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়, পথের দু ধারে আছে মোর দেবালয়। বিস্তারিত
সূর্যাস্তের রঙে রাঙা ধরা যেন পরিণত ফল, আঁধার রজনী তারে ছিঁড়িতে বাড়ায় করতল। বিস্তারিত
ফুরাইলে দিবসের পালা আকাশ সূর্যেরে জপে লয়ে তারকার জপমালা। বিস্তারিত
দিন দেয় তার সোনার বীণা নীরব তারার করে— চিরদিবসের সুর বাঁধিবার তরে। বিস্তারিত
সূর্য-পানে চেয়ে ভাবে মল্লিকামুকুল, ‘কখন ফুটিবে মোর অত বড়ো ফুল!’ বিস্তারিত
চেয়ে দেখি হোথা তব জানালায় স্তিমিত প্রদীপখানি নিবিড় রাতের নিভৃত বীণায় কী বাজায় কিবা জানি। বিস্তারিত
উতল সাগরের অধীর ক্রন্দন নীরব আকাশের মাগিছে চুম্বন। বিস্তারিত
সমস্ত-আকাশ-ভরা আলোর মহিমা তৃণের শিশির-মাঝে খোঁজে নিজ সীমা। বিস্তারিত
প্রেমের আনন্দ থাকে শুধু স্বল্পক্ষণ। প্রেমের বেদনা থাকে সমস্ত জীবন। বিস্তারিত
বসন্ত পাঠায় দূত রহিয়া রহিয়া যে কাল গিয়েছে তার নিশ্বাস বহিয়া। বিস্তারিত
কোন্ খসে-পড়া তারা মোর প্রাণে এসে খুলে দিল আজ সুরের অশ্রুধারা। বিস্তারিত
বহু দিন ধ’রে বহু ক্রোশ দূরে বহু ব্যয় করি বহু দেশ ঘুরে দেখিতে গিয়েছি পর্বতমালা,... বিস্তারিত
যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর আকাশে আঁকা, আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা। বিস্তারিত
প্রভাতরবির ছবি আঁকে ধরা সূর্যমুখীর ফুলে। তৃপ্তি না পায়, মুছে ফেলে তায়, আবার ফুটায়ে তুলে। বিস্তারিত
কল্লোলমুখর দিন ধায় রাত্রি-পানে। উচ্ছল নির্ঝর চলে সিন্ধুর সন্ধানে। বসন্তে অশান্ত ফুল পেতে চায় ফল... বিস্তারিত
নদীর এ পার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ও পারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস। নদীর ও পার বসি... বিস্তারিত
শিশু পুষ্প আঁখি মেলি হেরিল এ ধরা— শ্যামল, সুন্দর, স্নিগ্ধ, গীতগন্ধ-ভরা; বিশ্বজগতেরে ডাকি কহিল, হে... বিস্তারিত
