কবিতা
ভাই নিশি, তখন উনিশ আমি, তুমি হবে বুঝি পঁচিশের কাছাকাছি। তোমার দুখানা বই ছাপা হয়ে... বিস্তারিত
দিলে তুমি সোনা‐মোড়া ফাউণ্টেন পেন, কতমতো লেখার আসবাব। ছোটো ডেস্কোখানি। আখরোট কাঠ দিয়ে গড়া। ছাপ‐মারা... বিস্তারিত
এক আছে মণিদিদি, আর আছে তার ঘরে জাপানি পুতুল নাম হানাসান। পরেছে জাপানি পেশোয়াজ ফিকে... বিস্তারিত
আধবুড়ো হিন্দুস্থানি, রোগা লম্বা মানুষ– পাকা গোঁফ, দাড়ি-কামানো মুখ শুকিয়ে-আসা ফলের মতো। ছিটের মের্জাই গায়ে,... বিস্তারিত
আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু, “বাসি ফুলের মালা’।... বিস্তারিত
শালিখটার কী হল তাই ভাবি। একলা কেন থাকে দলছাড়া। প্রথম দিন দেখেছিলেম শিমুল গাছের তলায়,... বিস্তারিত
নাম তার কমলা, দেখেছি তার খাতার উপরে লেখা। সে চলেছিল ট্রামে, তার ভাইকে নিয়ে কলেজের... বিস্তারিত
এক দিকে কামিনীর ডালে মাকড়সা শিশিরের ঝালর দুলিয়েছে, আর-এক দিকে বাগানে রাস্তার ধারে লাল-মাটির-কণা-ছড়ানো পিঁপড়ের... বিস্তারিত
বাবা এসে শুধালেন, “কী করছিস সুনি, কাপড় কেন তুলিস বাক্সে, যাবি কোথায়?’ সুনৃতার ঘর তিনতলায়।... বিস্তারিত
হিরণমাসির প্রধান প্রয়োজন রান্নাঘরে। দুটি ঘড়া জল আনতে হয় দিঘি থেকে– তার দিঘিটা ওই দুই... বিস্তারিত
মনে হচ্ছে শূন্য বাড়িটা অপ্রসন্ন, অপরাধ হয়েছে আমার তাই আছে মুখ ফিরিয়ে। ঘরে ঘরে বেড়াই... বিস্তারিত
দুঃখের দিনে লেখনীকে বলি– লজ্জা দিয়ো না। সকলের নয় যে আঘাত ধোরো না সবার চোখে।... বিস্তারিত
সুশ্রী নয় এমন লোকের অভাব নেই জগতে– এ মানুষটি তার চেয়েও বেশি, এ অদ্ভুত। খাপছাড়া... বিস্তারিত
ছেলেটার বয়স হবে বছর দশেক– পরের ঘরে মানুষ। যেমন আগাছা বেড়ে ওঠে ভাঙা বেড়ার ধারে–... বিস্তারিত
পশ্চিমে শহর। তারি দূর কিনারায় নির্জনে দিনের তাপ আগলে আছে একটা অনাদৃত বাড়ি, চারি দিকে... বিস্তারিত
আজ এই বাদলার দিন, এ মেঘদূতের দিন নয়। এ দিন অচলতায় বাঁধা। মেঘ চলছে না,... বিস্তারিত
নাম রেখেছি কোমল গান্ধার, মনে মনে। যদি তার কানে যেত অবাক হয়ে থাকত বসে, বলত... বিস্তারিত
ছেলেদের খেলার প্রাঙ্গণ। শুকনো ধুলো, একটি ঘাস উঠতে পায় না। এক ধারে আছে কাঞ্চন গাছ,... বিস্তারিত
প্লাটিনমের আঙটির মাঝখানে যেন হীরে। আকাশের সীমা ঘিরে মেঘ, মাঝখানের ফাঁক দিয়ে রোদ্দুর আসছে মাঠের... বিস্তারিত
