কবিতা
যখন তোমার সঙ্গে কথা বলি টেলিফোনে, ভয়ে ভয়ে থাকি, পাছে অকস্মাৎ ছেদ পড়ে তোমার কথার... বিস্তারিত
সদর রাস্তায় নিয়ে এসেছি তোমাকে; আসতে চাও নি তুমি, আমার নাছোড়পনা দেখে দিয়েছো সম্মতি, কিন্তু... বিস্তারিত
দুঃখ হলো, বড় দুঃখ হলো তোমাকে ওভাবে হেঁটে যেতে দেখে মঞ্চের উদ্দেশে। জানতাম পরাস্ত দেবদূতের... বিস্তারিত
আমার চরম শক্র ঘড়ি, সময়কে অবিরল প্রবল শাসন করে টিক টিক্ ধ্বনি দিয়ে আর আমাকে... বিস্তারিত
দেয়ালে আমার পিঠ, আর সরে দাঁড়ানো কিছুতে সম্ভব নয়; দেখছো না খর জ্যোৎস্না আর গোলাপের... বিস্তারিত
রোজ আমি রেললাইনের ধারে রেললাইনের কাছে যাই সন্ধ্যেবেলা। খানিক দাঁড়াই, আশেপাশে দৃষ্টি মেলে দেখি কী... বিস্তারিত
প্রায় পনের-ষোল বছর ধরে সে দেখে আসছে নিজিশটাকে দেয়ালে টাঙানো। গরিব ঘরের পুরানো অলংকার ভেবে... বিস্তারিত
এখানে এ জনশূন্যতায় বসা যায় কিছুক্ষণ। দ্যাখো, সূর্য শ্মশানের মাতাল ডোমের মত ঝিমুচ্ছে এখন। যখন... বিস্তারিত
ফেলতে চায় না কেউ, তবু ফেলে দিতে হয় অনেক কিছুই, দিতে হয় অসহায় সূর্যোদয়ে অথবা... বিস্তারিত
আমার হৃদয় জুড়ে সারাক্ষণ এ কী জলহাওয়া। আবহকুক্কুট ঘোরে উল্টোপাল্টা, দিকচিহ্নগুলি সহসা গিয়েছে উড়ে, দরজা,... বিস্তারিত
ঘরের বাইরে নুয়ে আছে নিরিবিলি বারান্দায় বুগেনভেলিয়া, যেন শূন্য রাঙা মন্দিরে প্রণতা দেবদাসী একাকিনী। ঘরের... বিস্তারিত
আসে না দু’চোখে ঘুম কিছুতেই কোনো কোনো রাতে তোমাকে প্রবল ভেবে। কত হিজিবিজি, ছায়াবাজী প্রহরে... বিস্তারিত
লোকটা বুড়োই বটে, অতিশয় স্মৃতিভারাতুর। স্মৃতিমোহে সে একাকী সন্ধ্যায় কবরে দীপ জ্বালে কোনো কোনো দিন... বিস্তারিত
আমিতো যুবক নই, মধ্য বয়সের রুক্ষ পথে নিঃসঙ্গ চলেছি হেঁটে রৌদ্রদগ্ধ আর ঝঞ্ঝাহত অভিজ্ঞ শরীরে... বিস্তারিত
তোমাকে প্রথম দেখি মধ্যাহ্নের নিঝুম চৈনিক রেস্তোরাঁয়। অবশ্য এ কথা তুমি করো না স্বীকার। তুমি... বিস্তারিত
দূর থেকে দেখে ঈর্ষার তাপ লাগে সত্তায়। তার এলোমেলো রুক্ষ চুলের ঘন অরণ্যে হরিণের খেলা,... বিস্তারিত
একটি বনে সন্ধ্যেবেলা ঢুকে পড়েই মুষড়ে পড়ি, হঠাৎ ভীষণ ক্লান্ত লাগে। বন্য ঘ্রাণে ধরলো নেশা... বিস্তারিত
এখন কোথায় যাবো পথ খুঁজে এই মধ্যরাতে একা একা? পান্থনিবাসের সব দরোজা জানালা বন্ধ, পথও... বিস্তারিত
এখন নতুন নয় আর আমাদের পরিচয়। বেশ কিছুদিন, বলা যায়, কী মধুর এক সাথে কাটিয়েছি... বিস্তারিত
