কবিতা
এই যে, শুনুন, দয়া করে একটু শুনুন। খানিক সময় ভিক্ষা চাইছি, জানি আপনি ব্যস্ত বেজায়,... বিস্তারিত
বেশ কিছুদিন হলো ঘরের ভেতর ছুঁচো আর ইঁদুরের উৎপাত বেড়েছে। এইসব মৃত্তিকা খননকারী, গর্তবাসী প্রাণী... বিস্তারিত
আমাকে বিষণ্ন দেখে একটি অচিন পাখি এসে নিঃশব্দে টেবিলে বসে নিশ্চিন্ত মুদ্রায়, যেন তার কোনও... বিস্তারিত
নৌকাটা সত্তায় দৈন্যদশা নিয়ে নিঝুম রাত্তিরে যাচ্ছিল নদীর বুক চিরে। প্রায় বুড়ো, খুব রোদে-সেঁকা, জলে-ভেজা... বিস্তারিত
যে পাখি দেহের খাঁচায় নাচে, কখনও সখনও ঝিমায়, প্রায়শ গান গায়, সে যে অচিন বড়,... বিস্তারিত
ধোঁয়াশার ভেতর যেতে যেতে থমকে দাঁড়িয়ে হাতে ছুঁয়ে ঠাওর করতে পারিনি দরজাটা কাঠের, লোহার না... বিস্তারিত
আন্দোলনে সমর্পিত ছিল মনপ্রাণ, অথচ শরীর ছিল ভয়ঙ্কর থাবার দখলে বহুদিন। ফলে সভা, মিছিল, শ্লোগান... বিস্তারিত
মহাকালের মৃত্তিকায় স্বাক্ষর রেখে চলেছে আমার মায়ের মুখের ভাষা, যেমন তালপাতায় মহাকাব্য রচনা করেছেন বাল্মীকি... বিস্তারিত
নিদ্রার নদীতে নিঝুম ভেসে যাচ্ছিলাম একটানা প্রগাঢ় নিশীথে। হঠাৎ আশ্চর্য নিঃশব্দ কলরবে জেগে উঠি। ঘরে... বিস্তারিত
মুদ্রিত তথ্যানুযায়ী জানি লোকটার জীবনের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মিশেছে ধূসর গোধূলিতে। ছিল না সে কারও সাতেপাঁচে,... বিস্তারিত
এখন ঘন ঘন আমার চারপাশে আজরাইলের চিরতরে দু’চোখ-বোজানো কৃষ্ণ ডানা ঝলসে উঠছে। একে একে অন্তর্হিত... বিস্তারিত
আমি তো মাঝেমাঝে বাইরেই যেতে চাই, অথচ ঘর আমাকে আটকে রাখে। ঘরে বসে আমি দেখতে... বিস্তারিত
নিজের জীবন নিয়ে মেতেছি জুয়োয় বারবার; খোলামকুচির মতো দিনগুলি কীভাবে উড়িয়ে দিয়েছি, পাইনি টের। আজ... বিস্তারিত
তবে কি এখন হাল ছেড়ে দেবো? যখন তখন শ্বাপদের পদশব্দে কেঁপে ওঠে বিবর্ণ প্রহর, পতনের... বিস্তারিত
খাম ছিঁড়ে কোন্ খেয়ালে চিঠিটা ফেলে দিয়ে দেখি হাতে খাম নড়ছে হাওয়ায় এবং বাজে কাগজের... বিস্তারিত
জনস্মৃতি থেকে উঠে-আসা বহু লোককাহিনীর একটি এরূপ- একদা সুফলা এক রাজ্যে দিকে দিকে রটে গেল... বিস্তারিত
অনেক পরে তোমার জবানিতে শুনেছি- তুমি আমাকে প্রথম দেখেছিলে কিয়দ্দূর থেকে জাতীয় যাদুঘরে মৃণাল সেনের... বিস্তারিত
একজন কাঠুরেকে স্বপ্নাদ্য একটি গাছ টানে এবড়োথেবড়ো জমিনের সীমানায়, যেখানে গাছটি অনাদরে উপেক্ষায় বেড়ে উঠে... বিস্তারিত
এমন এক সময় ছিল যখন আমি বাড়িতে, বলতে গেলে, থাকতামই না। সদর রাস্তা, অলি-গলি পেরিয়ে... বিস্তারিত
