কবিতা
তোমরা কি এখনও দেখতে পাচ্ছ না তোমাদের মুখ? পাঁচ বছরে কী কদাকার আর বীভৎস হয়ে... বিস্তারিত
আট বছর পর কবিকে আবার ডাকছে স্ট্রেচার, নার্সের হাঁস সফেদ ত্র্যাপ্রোন, মেজার গ্লাস, শীর্ণ বেড,... বিস্তারিত
হঠাৎ জেগে উঠে দেখি মধ্যরাত। আন্ধার ঘরে এক গা ঘেমে কেমন হাঁসফাঁস করি, মনে হ’লো... বিস্তারিত
আজ রাতে নাগরিক নিসর্গ বিষয়ে একটি কবিতা লেখার কথা ভাবছিলাম, আমার কলম শাদা কাগজের বুকে... বিস্তারিত
‘এখানে জিরিয়ে নেই কিছুক্ষণ’ বলে এক শ্রান্ত রাহাগীর গাছের সুবজ ছায়া নিজের শরীরে মেখে নেয়;... বিস্তারিত
দূর থেকে বাড়িটাকে মনে হয় অনেক কান্নার বাষ্পরাশি আর হাসির রৌদ্র দিয়ে তৈরি। কখনো কখনো... বিস্তারিত
জানা মুশকিল ছিল, এতটুকু ছিল না আভাস; কালো রাত্রি আগুন রঙের চোখ ভীষণ পাকিয়ে ওৎ... বিস্তারিত
কবিতা লেখার খাতা, হ্যাঁ আমার খাতাটা চলেছে গঙ্খীরাজে চেপে, চাঁদ আর কালপুরুষকে, ছুঁয়ে ঢুকে যাবে... বিস্তারিত
১ বাড়িটার এই ঘরে অনিদ্রার গন্ধ খুব তীব্র আর চার দেওয়ালের না-কামানো দাড়ি যেন বা... বিস্তারিত
নিজেকে নতুন করে গড়ে তোমার নিকট যাবো বলে কিছুদিন থেকে আর থাকি না হাজির তোমার... বিস্তারিত
‘তোমার শরীরে এত ধুলোবালি কেন?’ আমাকে হামেশা প্রশ্ন করেন পাড়ার পাঁচজন চোখে মুখে নানা মুদ্রা... বিস্তারিত
আমার দেহঘরে ধেড়ে ইঁদুরের মতো গর্ত খুঁড়ছে নানা ব্যাধি, দৃষ্টিহীন বাদুড়ের ডানার সৃষ্টিছাড়া ছায়া ঘনাচ্ছে... বিস্তারিত
নির্জন গুহায় থাকি হাঁটু মুড়ে, কখনো নিদ্রায় অভিভূত। আলো নেই কোনোখানে, বেরুতে পারি না, পাছে... বিস্তারিত
আমি কি খাইনি ভোরে এবং দুপুরে নীলিমার রুটি আর খাইনি কি পেট পুরে নক্ষত্রের ভাত... বিস্তারিত
পঁচিশ বছর ধরে তোমাকে রেখেছি ভরে এই হৃদয়ে আমার, যেন শকুনের চঞ্চু ও নখর ব্যর্থ... বিস্তারিত
কচ্ছপের উদোম পেটের মতো বিন্যস্ত টেবিলে একটি গোলাপ নম্র শুয়ে আছে খাতাটির বুকে সেই কবে... বিস্তারিত
অনেক শতাব্দী জুড়ে প্রতিক্ষণ আমার হৃদয় বস্তুত স্পন্দিত হচ্ছে তোমার জন্যেই। বিষণ্নতা প্রত্যহ আমাকে ঘাট... বিস্তারিত
যখন তোমার কণ্ঠস্বর মঞ্জুরিত টেলিফোনে সকালে দুপুরে রাতে, আশ্চর্য পুষ্টিত সেই স্বর নিভৃতে আমার শরীরকে... বিস্তারিত
আমার এ ছোট ঘরে কিছুক্ষণ বসে চুপচাপ চলে গেলে তুমি নিশীথকে অধিক আন্ধার করে। চেয়ে... বিস্তারিত
নও বিদেশিনী, বাংলাই বলো, তবু মাঝে মাঝে বুঝি না তোমার ভাষা পুরোপুরি, ফলে বেশ ভুল... বিস্তারিত
