কবিতা
প্রতিদিন উদয়াস্ত খুঁজি আমি তাকে, অন্তর্গত নিভৃত সত্তাকে, যার মধ্যে পাঁচ জন ঘুমায় সতত যুগ... বিস্তারিত
আমি এক ভদ্রলোককে রোজ দেখি। তিনি কখনো বসে থাকেন চুপচাপ কাঠের চেয়ারে হেলান দিয়ে, কখনো... বিস্তারিত
একজোড়া চোখ, জ্বলজ্বলে, প্রাচীন রত্নের মতো, ভেসে এলো ঘরের ভেতরে। চক্ষুদ্বয় আমার শরীরে সেঁটে থাকে... বিস্তারিত
স্বপ্ন অভিভাবকের মতো আমার জীবনে তার নিয়ন্ত্রণ রাখে প্রায় সকল ঋতুতে। হেঁটে যাই অন্ধকারে, আদিম... বিস্তারিত
চৈত্র সংক্রান্তির দুটি পাশাপাশি থাকা ঘুড়ির ধরনে খুব কাছাকাছি ছিলাম দু’জন। আমাদের একজন যে কোন... বিস্তারিত
বেশ কিছুদিন থেকে এই বৃষ্টিই চাইছিলাম দিগন্ত-ডোবানো বৃষ্টি। ভুরুতে ঠেকিয়ে হাত আমি গনগনে আকাশের দিকে... বিস্তারিত
তার সঙ্গে জানাশোনা অনেক আগের। মনে পড়ে প্রথম দেখেছিলাম তাকে ছেচল্লিশ মাহুতটুলির ছাদে মেঘান্ধ প্রহরে।... বিস্তারিত
সবকিছু খুব শান্ত আশেপাশে; বারান্দায় হাঁটি একা একা; গৃহকোণে নিমগ্ন গৃহিণী ভোরের নিঃসীম প্রার্থনায়। কয়েকটি... বিস্তারিত
একটি নিষিদ্ধ মীড় জেগে ওঠে বারবার রক্তের ভিতর, ডেকে আনে নীল ময়ূরের শোভা চিদাকাশে আর... বিস্তারিত
সে-কথা প্রথম শুনি গাঁওবুড়াদের মুখে; তাঁরা গোধূলিতে পুকুরের পাড়ে বসে প্রবীণ গলায় গাজী কালু চম্পাবতী... বিস্তারিত
বাড়িটা সেকেলে, কিন্তু বাসিন্দারা একালের নব্য সামাজিতায় ঝলমলে, সান্ধ্য আসরের টানে অনেকেই আসে; গোলাপ ঠুমরী... বিস্তারিত
অনেকদিন থেকেই ভাবছি একটা কিছু তাড়াতাড়ি অদলবদল হওয়া চাই, অথচ এটাও জানি তাড়াহুড়ো মানে খুব... বিস্তারিত
অকুণ্ঠ স্বীকার করি, তুমি বেশ তুখোড় খেলুড়ে। যারা উড়ে এসে জুড়ে বসে তুমি তাদের কাপ্তান... বিস্তারিত
শাবাস জনাব, আপনার ধৈর্যের মুখে ফুল চন্দর পড়ুক। সেই কবে থেকে আপনি আমার পেছনে পেছনে... বিস্তারিত
বারবার ভিড়ের গিয়ে প্রতিহত ফিরে আসি, নত মুখে গৃহ প্রবেশের অনুমতি চাই নৈঃসঙ্গের কাছে; সকলেই... বিস্তারিত
লোকে তার কথা বলাবলি করে, গ্রামে ও শহরে। শোনা যায়, লোকালয়ে থেকে বহুদূরে নদীতীরে এবং... বিস্তারিত
তোর কাছ থেকে কেড়ে নেবে ওরা এক এক করে সকল পালক। অশ্বমেধের ঘোড়ার মতোই দশদিক... বিস্তারিত
একটি পাখি রোজ আমার জানালায় আস্তে এসে বসে, তাকায় আশেপাশে। কখনো দেয় শিস্, বাড়ায় গলা... বিস্তারিত
আমাকে চমকে দিয়ে কখনো কখনো আমার ভেতরে কেউ একজন হো-হো হেসে ওঠে, মাছে মাঝে নিঝুম... বিস্তারিত
