অতল আঁধার নিশাপারাবার, তাহারি উপরিতলে দিন সে রঙিন বুদ্বুদসম অসীমে ভাসিয়া চলে। বিস্তারিত
কবিতা
দুই তীরে তার বিরহ ঘটায়ে সমুদ্র করে দান অতল প্রেমের অশ্রুজলের গান। বিস্তারিত
স্ফুলিঙ্গ তার পাখায় পেল ক্ষণকালের ছন্দ। উড়ে গিয়ে ফুরিয়ে গেল, সেই তারি আনন্দ। বিস্তারিত
সুন্দরী ছায়ার পানে তরু চেয়ে থাকে— সে তার আপন, তবু পায় না তাহাকে। বিস্তারিত
আমার প্রেম রবি-কিরণ-হেন জ্যোতির্ময় মুক্তি দিয়ে তোমারে ঘেরে যেন। বিস্তারিত
আলো যবে ভালোবেসে মালা দেয় আঁধারের গলে সৃষ্টি তারে বলে। বিস্তারিত
মাটির সুপ্তিবন্ধন হতে আনন্দ পায় ছাড়া— ঝলকে ঝলকে পাতায় পাতায় ছুটে এসে দেয় নাড়া। বিস্তারিত
দিন হয়ে গেল গত। শুনিতেছি বসে নীরব আঁধারে আঘাত করিছে হৃদয়দুয়ারে দূর প্রভাতের ঘরে-ফিরে আসা... বিস্তারিত
চাহিয়া প্রভাতরবির নয়নে গোলাপ উঠিল ফুটে। ‘রাখিব তোমায় চিরকাল মনে’ বলিয়া পড়িল টুটে। বিস্তারিত
আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস। তবু, উড়েছিনু এই মোর উল্লাস। বিস্তারিত
লাজুক ছায়া বনের তলে আলোরে ভালোবাসে। পাতা সে কথা ফুলেরে বলে, ফুল তা শুনে হাসে। বিস্তারিত
পর্বতমালা আকাশের পানে চাহিয়া না কহে কথা— অগমের লাগি ওরা ধরণীর স্তম্ভিত ব্যাকুলতা। বিস্তারিত
ভিক্ষুবেশে দ্বারে তার ‘দাও’ বলি দাঁড়ালে দেবতা মানুষ সহসা পায় আপনার ঐশ্বর্যবারতা। বিস্তারিত
অসীম আকাশ শূন্য প্রসারি রাখে, হোথায় পৃথিবী মনে মনে তার অমরার ছবি আঁকে। বিস্তারিত
ফুলগুলি যেন কথা, পাতাগুলি যেন চারি দিকে তার পুঞ্জিত নীরবতা। বিস্তারিত
পথের প্রান্তে আমার তীর্থ নয়, পথের দু ধারে আছে মোর দেবালয়। বিস্তারিত
সূর্যাস্তের রঙে রাঙা ধরা যেন পরিণত ফল, আঁধার রজনী তারে ছিঁড়িতে বাড়ায় করতল। বিস্তারিত
ফুরাইলে দিবসের পালা আকাশ সূর্যেরে জপে লয়ে তারকার জপমালা। বিস্তারিত
দিন দেয় তার সোনার বীণা নীরব তারার করে— চিরদিবসের সুর বাঁধিবার তরে। বিস্তারিত
সূর্য-পানে চেয়ে ভাবে মল্লিকামুকুল, ‘কখন ফুটিবে মোর অত বড়ো ফুল!’ বিস্তারিত
