কবিতা
লোকটা তো বুঝতেই পারলো না কী করে যে সূর্যাস্তের ঠোঁট তাকে খুব চেপে ধরেছিল- তবে... বিস্তারিত
শূন্যতা আমাকে রোজ প্রচণ্ড শাসায়, ক্ষণে ক্ষণে তাকায় পাকিয়ে চোখ, যেন গিলে খাবে, অস্তিত্ব ফেলবে... বিস্তারিত
এই ছোট ঘর, এই প্রান্তিক বিনীত বুড়ো বাড়ি, আবেগকম্পিত স্বরে বলে, ‘কখনও যেও না তুমি।... বিস্তারিত
শাদা কাগজের হিমশূন্যতা অনেকক্ষণ তাকে ভীষণ বিদ্রূপ করে। মনে হয় তার- কে এক সফেদ প্রেত... বিস্তারিত
ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক দৃষ্টিতে একই দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার অসুস্থ চোখ দুটো হাঁপিয়ে... বিস্তারিত
ছিলাম নিজেরই ঘরে নিরিবিলি, রাত আড়াইটা, অন্ধকার ছিল না তেমন গাঢ়, বরং ফিকেই বলা চলে।... বিস্তারিত
তার জন্মদিনটির ললাটে প্রথম আলো চুমো এঁকে দিলে এক পক্ষ বলে- বহু ভোরবেলাকার, দুপুরের, গোধূলির... বিস্তারিত
শহরে আছেন একজন কবি, যাকে আমি চিনি কিছুকাল আগে থেকে। তার কাছে মাঝে-মাঝে যাই, পোহাই... বিস্তারিত
আমার বাসার সামনের অনাথ শিশুনিকেতনের দেয়ালে সেঁটে-থাকা ঝলমলে রোদ দেখে আজ কী যে ভালো লাগে... বিস্তারিত
এরকম তাড়াহুড়ো, হুটোপুটি সাজে না তোমাকে। আগে তুমি ছিলে না এমন বাস্তবিক; মৎস্য শিকারির মতো... বিস্তারিত
যখন নেপথ্যে ডুব দিয়ে অতলে কাটাতে চাই নিজস্ব সময় কিছু, জাল ফেলে, আমার চুলের মুঠি... বিস্তারিত
অনেক অনেকক্ষণ ধরে সুদূরে চলেছি হেঁটে; অকস্মাৎ মনে হ’ল, যেখানে ছিলাম সেখানেই রয়ে গেছি। চারপাশে... বিস্তারিত
অকস্মা ঘাসসুদ্ধ মাটি ফুঁড়ে জেগে ওঠে পুরোনো করোটি জ্যোৎস্নাভেজা রাতে; কোজাগরী পূর্ণিমার রাত ছিল? বহুকাল... বিস্তারিত
জানলার বাইরে তাকাও, দেখে না ও আকাশ, ভাসমান মেঘ, গাছের পাতার নাচন, পাশের বাড়ির কার্নিশে... বিস্তারিত
ওরে নির্বোধ, ওরে হঠকারী পদ্য-লিখিয়ে কেন তুই শেষে এমন পদ্য লেখার নেশায় মেতেছিলি এই সূর্য... বিস্তারিত
বহুদিন পর কাল রাতে স্বপ্নে এলেন আমার মা। শুয়ে আছেন তিনি বিছানায়, আমি বসে আছি... বিস্তারিত
এই যে সারাটা সকাল আমার খাতার একটি খাঁ খাঁ পাতা আর কলমের মধ্যে শুরু হ’ল... বিস্তারিত
আহ্ এত আতশবাজি, মালার বাহার, আলোর প্লাবন চারদিকে। কেমন একটা মন-মাতানো সুরের ঘূর্ণিনাচ সবুজ লন,... বিস্তারিত
আততায়ী অন্ধকার অতর্কিতে বর্বর, দাঁতাল হিংস্রতায় গ্রাস করে পূর্ণিমাকে। মহিমার বিনাশে কাদার কৃমিকীট, সরীসৃপ, পিশাচেরা... বিস্তারিত
লঘু পায়ে ভোর এল, বারান্দায় রোদের ঝলক শুয়ে আছে কাৎ হয়ে তরুণীর ভঙ্গিমায়, যেন ওর... বিস্তারিত
