শৈশবের সোনালি দুপুরে আমি দেখেছি কত না চিল আর শঙ্খচিল সুনীল আকাশে অসঙ্কোচে উড়ে উড়ে... বিস্তারিত
কেমন ধূসর কাল নিশ্চিন্তে করছে গ্রাস সময়কে আর ঘন অন্ধ কুয়াশায় চকিতে হারায় যৌথ আর্তনাদ;... বিস্তারিত
নক্ষত্রেরা মধ্যরাতে নৃত্যপর লোকটার নগ্ন আঙিনায়, অপরূপ নৃত্যকলা তাকে পুরু শয্যার আরাম থেকে টেনে নিয়ে... বিস্তারিত
এই তো হৃৎপদ্ম আমাদের বারবার দুলে ওঠে সুর হয়ে, দুলে ওঠে লালন সাঁইয়ের অনুপম গান... বিস্তারিত
ভীষণ অসুস্থ কবি; শয্যাগত তিন মাস ধরে। মুখে তার রুচি নেই, বমি হয় ঘন ঘন,... বিস্তারিত
ভোরবেলা ঘুম ভাঙতেই দেখি, একজন লোক আমার চেয়ারে দিব্যি বেপরোয়া বসে আছে। চোখ দুটো তার... বিস্তারিত
মধ্যরাতে থেকে গাঢ় মধ্যরাতে অবধি নির্ঘুম কেটে গেছে, আজ আর নিদ্রাপরী চুমোয় নিরিবিলি ঝরিয়ে দেবে... বিস্তারিত
বন্ধু, এ কেমন অভিমান তোমার? কত না সূর্যোদয়, কত সূর্যাস্ত বিলীন হলো অনন্তে, অথচ ভীষণ... বিস্তারিত
একটি নাজুক ছোট বাড়িতে বুড়োবুড়ি করতেন বসবাস। সন্তানসন্ততি ছিল না তাদের কেউ। দু’জনের সীমিত সংসার... বিস্তারিত
আমি তো প্রকৃত বট, সমুন্নত, বিস্তৃত সবুজ মাথা; শান্তি আমি সর্বক্ষণ, পরিশ্রান্ত পথিকের জন্যে নিত্য... বিস্তারিত
উড়ে উড়ে বহুদূরে পাখির ডানার সুরে সুরে চলে যাই কোথায় মেঘের খুব নিরিবিলি অন্দরমহলে- ‘ও... বিস্তারিত
অনেকটা পথ হেঁটে চলার পর কেন জানি মনে হলো, আমার এই পথপরিক্রমা আদৌ ঠিক হয়নি।... বিস্তারিত
এ কী হলো! ভাবিনি কখনও আগে এরকম হুট করে, হায়, গোধূলি আসবে নেমে জীবনে আমার... বিস্তারিত
একদা আমারও ছিল জ্বলজ্বলে যৌবনের কাল। যৌবনের প্রত্যুষে ভেবেছি, হেসে খেলে, খাতার সফেদ পাতা জুড়ে... বিস্তারিত
কে হে তুমি ওখানে দাঁড়িয়ে আছো? আমাকে দেখাচ্ছো ভয় এই থমথমে সন্ধ্যেবেলা? আমি তো শহুরে... বিস্তারিত
আচমকা মনে হলো, কারা যেন ঘরের ভেতর এসেছে অত্যন্ত সন্তর্পণে। অথচ কাউকে আমি কোথাও দেখতে... বিস্তারিত
(মোহাম্মদ আবুল কাশেমের উদ্দেশে) দিনরাত বছরের পর বছর এভাবে বিছানায় সেঁটে থাকা, সামান্যই নড়াচড়া, মানে... বিস্তারিত
অনেকটা পথ তো হেঁটেছি এ যাবত। রৌদ্রছায়া দেখা হলো বেশ কিছু, পাথরের সন্ত্রাসে জখমি হয়ে... বিস্তারিত
ইদানীং এই স্বপ্ন অনাহূত অতিথির মতো হুট করে চলে আসে আমার নিদ্রার কুয়াশায়, দাঁড়ায় কোমরে... বিস্তারিত
বুড়োসুড়ো লোক, প্রতি রাতই প্রায় নির্ঘুম কাটে শয্যায়। দিনে মাঝে মাঝে ঈষৎ ঝিমুনি ধরে আর... বিস্তারিত
