হায়রে এমনই পোড়া কপাল বান্ধব তোর, এই ঘিনঘিনে কাদা জলে আটকা পড়লি। জানতাম, তুই ধবধবে... বিস্তারিত
সকলেই চেনে না কবিকে, কেউ কেউ চেনে তাকে প্রচণ্ড হৈ-হল্লা, ভিড়ে অথবা বিজনে কখনও সখনও।... বিস্তারিত
হল্দে পাখির নরম বুকের মতো বিকেল বিশ্রামের আমেজে বুঁদ ছিল। চোখ বুজে এসেছিল প্রায়, হঠাৎ... বিস্তারিত
ছয়তলা বাড়ি, বড় একা, চুপচাপ দাঁড়িয়ে রয়েছে, রুক্ষ দরবেশ যেন। মাঝে মাঝে ওর খুব কাছে... বিস্তারিত
দুর্মর এক অস্থিরতা লোকটাকে, বলা যেতে পারে, পেয়ে বসেছিল। নিজের ভেতর কেমন ওলট-পালট বোধ করত।... বিস্তারিত
বলব না কোনওদিন, এ-কাজ আমিই শুধু করেছি একাকী কিছুই ছিল না, আমি এই বিরানায় নিষ্ফলা... বিস্তারিত
প্রত্যহ পাথর ছুঁড়ে মারবার লোকের অভাব নেই এই চৌরাস্তায়্য, অলিতে গলিতে। ডাকলেই বেশ কিছু লোক... বিস্তারিত
এ নিয়ে কমসে কম সাত আটবার মাটিতে পড়েছি মুখ থুবড়ে, অথচ কিছুতেই ঝিমুনি যাচ্ছে না... বিস্তারিত
বিকেলের জাফরানি রোদে কলকাতা ক্ষণকাল রূপচার্চা করে নেয় আনমনে আর পথে যেতে যেতে খুব কাছ... বিস্তারিত
শত ডাকলেও উচ্চস্বরে আর মিলবে না সাড়া কোনওদিন, কঠিন দেয়ালে মাথা খুঁড়ে মরলেও তোমার প্রগাঢ়... বিস্তারিত
এরই মধ্যে আমার বান্ধবদের ক’জনকে তুমি কায়াহীন, ছায়াহীন করেছ হেলায়, যেন অন্ধকারাচ্ছন্ন খেলায়। এখন বারান্দায়... বিস্তারিত
গোধূলি রঙের মিহি নির্ভার চাদর গায়ে একজন যোগী এলেন আমার ঘরে খুব নিরিবিলি। আমি ছাড়া... বিস্তারিত
লোকটা তো বুঝতেই পারলো না কী করে যে সূর্যাস্তের ঠোঁট তাকে খুব চেপে ধরেছিল- তবে... বিস্তারিত
শূন্যতা আমাকে রোজ প্রচণ্ড শাসায়, ক্ষণে ক্ষণে তাকায় পাকিয়ে চোখ, যেন গিলে খাবে, অস্তিত্ব ফেলবে... বিস্তারিত
এই ছোট ঘর, এই প্রান্তিক বিনীত বুড়ো বাড়ি, আবেগকম্পিত স্বরে বলে, ‘কখনও যেও না তুমি।... বিস্তারিত
শাদা কাগজের হিমশূন্যতা অনেকক্ষণ তাকে ভীষণ বিদ্রূপ করে। মনে হয় তার- কে এক সফেদ প্রেত... বিস্তারিত
ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক দৃষ্টিতে একই দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার অসুস্থ চোখ দুটো হাঁপিয়ে... বিস্তারিত
ছিলাম নিজেরই ঘরে নিরিবিলি, রাত আড়াইটা, অন্ধকার ছিল না তেমন গাঢ়, বরং ফিকেই বলা চলে।... বিস্তারিত
তার জন্মদিনটির ললাটে প্রথম আলো চুমো এঁকে দিলে এক পক্ষ বলে- বহু ভোরবেলাকার, দুপুরের, গোধূলির... বিস্তারিত
শহরে আছেন একজন কবি, যাকে আমি চিনি কিছুকাল আগে থেকে। তার কাছে মাঝে-মাঝে যাই, পোহাই... বিস্তারিত
