বিবিধ কবিতা
শামসুর রাহমান ব’লে আছে একজন, যার জন্যে মধ্যরাতে কোনো নদী, মাছের মতন চকচকে কোনো স্বপ্নাবৃত... বিস্তারিত
সংকটে কবির সত্তা আরো বেশি চিন্তাশ্রয়ী হয়, কতিপয় খর স্বপ্ন তাকে বিচলিত করে খুব, বিশেষত... বিস্তারিত
আবার ঘর ছেড়ে তুমি তো আসবে না। বাইরে নীল শাড়ি যাবে না দেখা রাতে। মধ্যরাতে... বিস্তারিত
আমার বাড়ির ছোট্র এ পাঙ্গণে সবত করে একটি ফুলের চারা। খুরপি দিয়ে মাটি খুঁড়ে, ঢেলে... বিস্তারিত
কোথায় সে যুবা? কোথায় সে নির্ভীক? কোথায় নাট্যবিলাসী অধ্যাপক? কোথায় আত্মভোলা সে দার্শনিক? কোথায় সে... বিস্তারিত
আমার মগজে ছিল একটি বাগান, দৃশ্যাবলিময়। কখনো তরুণ রৌদ্রে কখনোবা ষোড়শীর যৌবনের মতো জ্যোৎস্নায় উঠত... বিস্তারিত
হাওয়ায় হাওয়ায় দুঃসংবাদ প্রতিদিন, প্রতিরাত্রি শব্দহীন মর্শিয়ায় কেমন শীতল সমাচ্ছন্ন, অত্যন্ত বিধুর। কে কোথায় গুম... বিস্তারিত
মাঝে মাঝে দেখতাম তাকে দূরবর্তী বাড়ির চূড়ায় কিংবা সাদা মেঘভর্তি আকাশের মাঠে, যেন স্বপ্নের নিঝুম... বিস্তারিত
কখনো জঙ্গলে কখনোবা খানাখন্দে ইতস্তত বাঙ্কারে অথবা ক্যাম্পে উঁচিয়ে বন্দুক ঘামে রক্তের গন্ধে কী প্রকার... বিস্তারিত
কী করত সে? যদি প্রশ্ন তোলে কেউ, বলা যায়, প্রায়শ নিশ্চুপ থাকত কোথাও বসে। ক্রিয়ায়... বিস্তারিত
এখন চরে না ট্যাঙ্ক ভাটপাড়া, ভার্সিটি পাড়ায় দাগে না কামান কেউ লক্ষ্য করে ছাত্রাবাস আর।... বিস্তারিত
দু’দশক পরেও স্ফটিক মনে পড়ে- বৈশাখের খটখটে স্বেদাক্ত দুপুরে, প্রথম কদম শিহরিত আষাঢ়ের জলজ দিবসে... বিস্তারিত
না, আমি যাব না অন্য কোনোখানে। আমিও নিজেকে ভালোবাসি আর দশজনের মতন। সকালের টাটকা মাখন-রোদে... বিস্তারিত
টিলার ওপর নয়, নদী তীরে নয়, এমনকি পুকুর পাড়েও নয়, গলিতেই দাঁড়ানো আমার একতলা বাড়ি।... বিস্তারিত
কখনো বারান্দা থেকে চমৎকার ডাগর গোলাপ দেখে, কখনো-বা ছায়ার প্রলেপ দেখে চৈত্রের দুপুরে কিংবা দারুমূর্তি... বিস্তারিত
যথারীতি বিষম নিয়মপরায়ণ কাক চেরে ঘুম ভোরে। শয্যাত্যাগী আমি দাঁত মাজি, করি পায়চারি, মাঝে-মধ্যে আওড়াই... বিস্তারিত
প্রবেশাধিকার নেই। এখন আমার আনন্দের দুঃখের ক্রোধের ক্ষোভের প্রেমের প্রবেশাধিকার নেই মনুষ্যসমাজে। আগে আমি আনন্দিত... বিস্তারিত
আমি কথা বলাতে চাই, কথা বলাতে চাই আমার ঘরের আসবাবপত্রকে, ছাদের কার্নিশ আর জানলাকে, নিশ্চুপ... বিস্তারিত
বয়স আমার চল্লিশ হল এবং তোমার থরোথরো ষোলো। কৃতী নই কোনো, আমি অভাজন; অনেক আশায়... বিস্তারিত
