কবিতা
বাবলাশাখারে বলে আম্রশাখা, ‘ভাই, উনানে পুড়িয়া তুমি কেন হও ছাই। হায় হায়, সখী, তব ভাগ্য... বিস্তারিত
নারদ কহিল আসি, ‘হে ধরণী দেবী, তব নিন্দা করে নর তব অন্ন সেবি। বলে মাটি,... বিস্তারিত
‘হে জলদ, এত জল ধরে আছ বুকে, তবু লঘু বেগে ধাও বাতাসের মুখে। পোষণ করিছ... বিস্তারিত
কহিল মনের খেদে মাঠ সমতল, ‘হাট ভরে দিই আমি কত শস্য ফল। পর্বত দাঁড়ায়ে রন,... বিস্তারিত
‘বসুমতী, কেন তুমি এতই কৃপণা— কত খোঁড়াখুঁড়ি করি পাই শস্যকণা৷ দিতে যদি হয় দে মা,... বিস্তারিত
কহিল কঞ্চির বেড়া, ‘ওগো পিতামহ বাঁশবন, নুয়ে কেন পড় অহরহ। আমরা তোমারি বংশে ছোটো ছোটো... বিস্তারিত
ভিজা কাঠ অশ্রুজলে ভাবে রাত্রিদিবা, ‘জ্বলন্ত কাঠের আহা দীপ্তি তেজ কী বা।’ অন্ধকার কোণে পড়ে... বিস্তারিত
বসন্ত এসেছে বনে; ফুল ওঠে ফুটি; দিনরাত্রি গাহে পিক, নাহি তার ছুটি। কাক বলে, ‘অন্য... বিস্তারিত
জলহারা মেঘখানি বরষার শেষে পড়ে আছে গগনের এক কোণ ঘেঁষে। বৰ্ষাপূর্ণ সরোবর তারি দশা দেখে... বিস্তারিত
খোঁপা আর এলোচুলে বিবাদ হামাসা, পাড়ার লোকেরা জোটে দেখিতে তামাশা। খোঁপা কয়, ‘এলোচুল, কী তোমার... বিস্তারিত
সুয়োরানী কহে, ‘রাজা, দুয়োরানীটার কত মৎলব আছে বুঝে ওঠা ভার। গোয়ালঘরের কোণে দিলে ওরে বাসা,... বিস্তারিত
‘আমি প্রজাপতি ফিরি রঙিন পাখায় কবি তো আমার পানে তবু না তাকায়। বুঝিতে না পারি... বিস্তারিত
কুড়াল কহিল, ‘ভিক্ষা মাগি ওগো শাল, হাতল নাহিক, দাও একখানি ডাল।’ ডাল নিয়ে হাতল প্রস্তুত... বিস্তারিত
মালা গাঁথিবার কালে ফুলের বোঁটায় ছুঁচ নিয়ে মালাকর দু বেলা ফোটায়। ছুঁচ বলে মনদুঃখে, ‘ওরে... বিস্তারিত
অধিকার বেশি কার বনের উপর সেই তর্কে বেলা হল, বাজিল দুপর। বকুল কহিল, ‘শুন, বান্ধব-সকল,... বিস্তারিত
লেজ নড়ে, ছায়া তারি নড়িছে মুকুরে— কোনোমতে সেটা সহ্য করে না কুকুরে। দাস যবে মনিবেরে... বিস্তারিত
চকোরী ফুকারি কাঁদে, ‘ওগো পূর্ণ চাঁদ, পণ্ডিতের কথা শুনি গণি পরমাদ। তুমি নাকি এক দিন... বিস্তারিত
ছাতা বলে, ‘ধিক ধিক, মাথা মহাশয়, এ অন্যায় অবিচার আমারে না সয়। তুমি যাবে হাটে... বিস্তারিত
মহাভারতের মধ্যে ঢুকেছেন কীট, কেটেকুটে ফুঁড়েছেন এপিঠ-ওপিঠ। পণ্ডিত খুলিয়া দেখি হস্ত হানে শিরে; বলে, ‘ওরে... বিস্তারিত
