(কবি জসীমউদ্দীন শ্রদ্ধাস্পদেষু) অভিশপ্ত ঐ কবিকে এখন তোমরা করুণায় সিক্ত করে অসহায় একাকী কবিকে! ওঁর... বিস্তারিত
কবিতা
হৃৎপিণ্ড থেকে দুটি দুঃখময় জাগরণ চোখের গোলকে এনে দেখছি তোমাকে, তুমি ভালো আছো? বুকের বাঁ... বিস্তারিত
বহুদূরে ট্রেনের হুইসেল, যায় দিন যায়! বোনের মোন এক লাজুক পাড়া গাঁ তার ডাক শুনে... বিস্তারিত
বহুদূরে ট্রেনের হুইসেল, যায় দিন যায়! বোনের মোন এক লাজুক পাড়া গাঁ তার ডাক শুনে... বিস্তারিত
তুমি শুভ্রা, তুমি শস্যশীলা, তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিলে কে কণা অনিদ্র মাধুরী! হোক উপহাস্য তবু... বিস্তারিত
আমার কাছে আগুন ছিল না আমি চাঁদের আগুনে শাদা সিগ্রেট জ্বালিয়ে বসেছিলাম কুয়াশায়। –কে ওখানে?... বিস্তারিত
ওদের চোখে জলের কুহক আমরা বলি নদী পা ডুবিয়ে দাহ ভেজাই জিহ্বা ভেজে তৃষ্ণা হরণ... বিস্তারিত
বেঁচে থাকতে হলে আজ কিছু চাই। কিছুই কি চাই? গেরস্থালী নয়তো শূন্যতা? নয়তো সন্ন্যাসী নয়... বিস্তারিত
একটু খানিক তন্দ্রাতে সে একটু খানিক জেগে, বুকের কাছে হাতটি ছিলো হঠাৎ সে উদ্বেগে বোললো... বিস্তারিত
রৌদ্রে উঠলে পৌঁছে যাবো আপাততঃ এই মেঘের প্লাবনে দাঁড়াও। কেউ সামনে যেওনা সাবধান! সাইকেল ঘণ্টি... বিস্তারিত
যেমন হাতিকে খুব গভীর গহন বনে মনে হয় একমাত্র স্বাভাবিক যেমন বনেই তার একমাত্র ‘বৃংহতি’... বিস্তারিত
ধুলো কি দগ্ধ কয়লা? ধুলো কি বারুদ? রাস্তায় বেরুলে শুধু ধুলোর কাহিনী ওড়ে ধুলোর কাহিনী... বিস্তারিত
ধুলো কি দগ্ধ কয়লা? ধুলো কি বারুদ? রাস্তায় বেরুলে শুধু ধুলোর কাহিনী ওড়ে ধুলোর কাহিনী... বিস্তারিত
এইসব থেকে আমি ছুটি চাই, ছুটি চাই এই শিল্প, এই সামাজিক ফুল, হুলস্থুল সমিতি প্রধান... বিস্তারিত
আমার বাহু বকুল ভেবে গ্রীবায় পরেছিলে মনে কি পড়ে প্রশ্নহীন রাতের অভিসার? অন্ধকারে আড়াল পেয়ে... বিস্তারিত
প্রিয়তম পাতাগুলি ঝরে যাবে মনেও রাখবে না আমি কে ছিলাম, কী ছিলাম- কেন আমি সংসারী... বিস্তারিত
(জিনাত ও তারেককে) কুমারী, তোমার অই অনুভূতিময় উষ্ণ অন্ধকার ঝুলবারান্দায় আজ বড় মেঘলা দিন, আজ... বিস্তারিত
এখন পারি না, কিন্তু এক সময় পারতাম! আমারও এক সময় খুব প্রিয় ছিল নারী, মদ,... বিস্তারিত
কয়েকটি দালান কোঠা, বৃক্ষরাজি কয়েকটি সবুজ মাঠ থাকলেই যে ছোটখাটো বিশিষ্ট শহর হবে এলাকাটা এ... বিস্তারিত
আমাকে যে অনুতপ্ত হতে বলল, কার জন্যে অনুতপ্ত হবো আমি? কার জন্য অনুশোচনার জ্বলন্ত অঙ্গারে... বিস্তারিত
