বিরহের কবিতা
এবারই তো প্রথম নয়, আগেও গিয়েছি অনেক বিদেশ বিভুইয়ে, কোনও কোনোবার দিব্যি থেকেছি মাসের পর... বিস্তারিত
ভীষণ কুয়াশা চতুর্দিকে, কাছে দূরে সব কুছি দৃষ্টির বাইরে, আছে শুধু প্রবল হোঁচট খাওয়া। মনে... বিস্তারিত
এ কেমন লুকোচুরি খেলা নিশিদিন? কখনও সে সহজেই দেখা দেয়, খুব কাছে এসে বসে, হাত... বিস্তারিত
রেখেছি বুক পেতে মাটির সোঁদা বুকে, খুঁড়েছি নিজেকেই নিত্যদিন আমার হাত দু’টি বিদ্ধ কণ্টকে, রক্ত... বিস্তারিত
ঘরে বসে আছি একা। অকস্মাৎ এক ঝাঁক হল্দে প্রজাপতি ঢুকে পড়ে পাখনা দুলিয়ে, প্রজাপতিদের চোখ... বিস্তারিত
সেতো আজকের নয়, বেশ ক’যুগ আগেকার কথা; তখন আমি কৈশোর আর যৌবনের মোহনায় দাঁড়ানো পুরনো... বিস্তারিত
কষ্ট আছে, কাঁটা আছে, পায়ের রক্ত ঝরা আছে, তবু অনেক দীর্ঘ পথে বিরামবিহীন চলা আছে।... বিস্তারিত
অনেক বছর আগে কোনও এক জাফরানী প্রান্তরে নিঃসঙ্গ একটি গাছের নিচে তার সঙ্গে দেখা হয়েছিল... বিস্তারিত
কতকাল এভাবে থাকব এই ব্যাপক আঁধারে চুপচাপ? আঁধারের প্রাণীগুলি তেড়ে আসে চারদিক থেকে, ওদের জান্তব... বিস্তারিত
জ্বলজ্বলে একটি আসর ছিল, মাঝে মাঝে আমরা ক’জন উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব কি পশ্চিম থেকে এসে... বিস্তারিত
একজন ভদ্রলোক, ধারালো ছুরির মতো যার চোখ, ঘোর যুক্তিবাদী, আমাকে খানিক আপাদমস্তক দেখে নিয়ে নিরাসক্ত... বিস্তারিত
বিষাদ আমাকে আজ হু হু গোধূলিতে জনহীন নদীতীরে হাত ধরে নিয়ে এসে আস্তে বাসিয়ে দিয়েছে।... বিস্তারিত
এখন আমি অসুস্থ কুকুর যেন, নিস্তেজ, ঝিমোনা, অথচ ঘুম নেই। মশা, মাছি, পিঁপড়ে, গুবরে পোকা... বিস্তারিত
পারত যদি সাজিয়ে দিত গোলাপ দিয়ে তোমার ঘরের শূন্যতাকে। তোমার সঙ্গে আস্তে সুস্থে বসত গিয়ে... বিস্তারিত
তিনি, অকৃতদার প্রৌঢ় অধ্যাপক, কির্কেগার্ডের ‘আইদার অর’ গ্রন্থে নিমগ্ন সেই কখন থেকে। দুপুর মিশে গেছে... বিস্তারিত
যাদের সঙ্গে আমার ছাড়াছাড়ি হয় তারা কেউই আর ফিরে আসে না আমার কাছে। আমার বাবা,... বিস্তারিত
ঘুমভাঙা চোখে দেখি, হাতঘড়িতে ভোর ছ’টী। আকাশ-ঝারি শহরময় অবিরল জল ছিটোচ্ছে রাতের শেষ প্রহর থেকেই।... বিস্তারিত
এভাবে কতক্ষণ বসে থাকব চোখ দুটোকে প্রতীক্ষা-কাতর করে? তুমি কি চাও আমার শরীর হয়ে উঠুক... বিস্তারিত
এ কেমন স্থানে আজ পা রেখেছি? এ কোন বিরান জমিন আমাকে গ্রাস করবার জন্যে মুখের... বিস্তারিত
পথ ছিল জলশূন্য, সুনসান, ছায়ারা চেটে নিচ্ছিল ধুলো, বৃক্ষেরা নির্বাক, অথচ কাহিনী বর্ণনায় উন্মুখ। একা... বিস্তারিত
